ছবি: সংগৃহীত
নেতানিয়াহু এমন এক সময়ে ওয়াশিংটন পৌঁছেছেন যখন মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে তার গ্রহণযোগ্যতা সর্বনিম্ন পর্যায়ে।
আমেরিকার অনু রক্ষণশীল ব্যক্তিত্ব এবং রিপাবলিকান পার্টির একাংশ নেতানিয়াহুর ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা শুরু করেছে। এমনকি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইসরায়েলি সরকারের কিছু সদস্য ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ সমাপ্তির সমঝোতা প্রক্রিয়া নস্যাৎ করার চেষ্টা করছেন।
কিংসে কলেজ লন্ডনের যুদ্ধবিদ্যা বিভাগের সিনিয়র টিচিং ফেলো এবং ইসরায়েলি নিরাপত্তা বিশ্লেষক আহরন ব্রেগম্যান মনে করেন, 'যুক্তরাষ্ট্রে নেতানিয়াহু এখন একপ্রকার অগ্রহণযোগ্য বা 'টক্সিক' ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন। তাকে এমন এক নেতা হিসেবে দেখা হচ্ছে যিনি ট্রাম্পকে এক অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধে টেনে এনে কৌশলগত বিপর্যয় ডেকে এনেছেন।'
ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীক্ষক মিচেল বারাক জানান, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে এই উত্তেজনার স্পষ্ট ছাপ দেখা গেছে। তুরস্কের কাছে এফ-৩৫ বিক্রি স্থগিত রাখার বিষয়ে ইসরায়েলি দাবির জবাবে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, 'আমরা কী বিক্রি করব তা কেউ আমাদের বলে দিতে পারে না।'
বিশ্লেষকদের মতে, দৃশ্যত দ্বিপক্ষীয় সংঘাত এড়ানো গেলেও মার্কিন সমর্থনে নেতানিয়াহুর একক আধিপত্যের দিন হয়তো শেষের পথে। এটি আসন্ন ইসরায়েলি নির্বাচনে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা
Publisher & Editor