ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে- এমন অভিযোগ তুলে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সুষ্ঠু হলেও ফলাফল তৈরি ও ঘোষণায় মহা-ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে। সাবেক উপদেষ্টার কথায় তা প্রমাণ হয়েছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে মহানগর জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিলের আগে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানের গ্রেফতারের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করে জামায়াত।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘অতীতের নির্বাচনের চেয়ে এবারের ধরনটাই ছিল আলাদা। ভোটারদের বোকা বানিয়ে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা ঠিকই ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে। তা না হলে রাত ১০-১১টা পর্যন্ত সারা দেশ থেকে ১১ দলের বিজয়ী হওয়ার খবরে ভোট গণনা বন্ধ রাখা হতো না।’
তিনি বলেন, ‘মানুষ যখন জামায়াতের বিজয়ের খবর শোনার জন্য উন্মুখ ছিল তখনই মধ্যরাতে রহস্যজনকভাবে ফলাফল পরিবর্তন করে দেওয়া হলো। এটা বড় ইঞ্জিনিয়ারিং। তিনি অবিলম্বে দুই সাবেক উপদেষ্টাকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানান।’
পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পল্টন ও কাকরাইল হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন জামায়াত নেতাকর্মীরা।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-৪ আসনের এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনের এমপি কামাল হোসেন, মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন, উত্তরের সেক্রেটারি ইয়াছিন আরাফাত প্রমুখ।
Publisher & Editor