পাকিস্তানের পেসার হারিস রউফ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর দলে জায়গা না পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে চলা জল্পনার মধ্যে প্রথমবার মুখ খুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দলে না থাকলে অবশ্যই কষ্ট পাবেন, তবে সেটাকে ক্যারিয়ারের শেষ বলে মনে করেন না।
আগে কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, সাদা বলের প্রধান কোচ মাইক হেসন নাকি রউফকে দলে নিতে আগ্রহী নন। এ বিষয়ে রউফ বলেন, ‘আমি যদি বিশ্বকাপের দলে না থাকি, সেটা হতাশাজনক হবে, কিন্তু এতে আমার ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে না।’
নিজের পারফরম্যান্স উন্নত করাই এখন মূল লক্ষ্য, এমনটাই বলেন হারিস, ‘আমি আমার সেরা দেওয়ার চেষ্টা করব এবং বোলিং নিয়ে কাজ চালিয়ে যাব।’
পাশাপাশি জাতীয় দলের জন্য শুভকামনাও জানিয়েছেন তিনি, ‘বিশ্বকাপে জাতীয় দলের জন্য আমার শুভকামনা থাকবে।’
পাকিস্তানে ক্রিকেটের অগ্রগতির প্রসঙ্গে রউফ পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)-এর প্রশংসা করে বলেন, এটি এখন বড় একটি টুর্নামেন্টে পরিণত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বিদেশি ক্রিকেটার পাকিস্তানে খেলতে আসবেন।
৩২ বছর বয়সী এই পেসার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়েও কথা বলেন, ‘জাতীয় দলের হয়ে যখনই খেলেছি, শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ডেথ ওভারে বোলিং করা সহজ নয়।’
একইসঙ্গে তিনি যোগ করেন, খেলোয়াড়ের সমালোচনা আর দুর্ব্যবহারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। রউফের দাবি, এশিয়া কাপের পর থেকে তিনি ধারাবাহিকভাবেই ভালো পারফর্ম করে যাচ্ছেন।
এর আগে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর জন্য আইসিসির কাছে একটি প্রাথমিক স্কোয়াড তালিকা জমা দিয়েছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের জন্য ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আইসিসির অনুমতি ছাড়াই তালিকায় পরিবর্তন আনা যাবে বলে সূত্র জানিয়েছে।
পাকিস্তানের সম্ভাব্য স্কোয়াডে রয়েছেন অধিনায়ক সালমান আলি আগা, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, ফখর জামান, শাদাব খান, বাবর আজম, ফাহিম আশরাফ, মোহাম্মদ নওয়াজ, উসমান খান ও আব্রার আহমেদ। বিবেচনায় আছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ, সালমান মির্জা ও খাজা নাফায়। রিজার্ভ হিসেবে থাকতে পারেন আবদুল সামাদ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র ও উসমান তারিক।
২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান ৭ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। এরপর ১০ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র, ১৫ ফেব্রুয়ারি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি নামিবিয়ার সঙ্গে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলবে।
পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচই শ্রীলঙ্কায় খেলবে। গ্রুপ ‘এ’-এর চারটি ম্যাচ হবে কলম্বোতে, আর সুপার এইট পর্বের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে কলম্বো ও ক্যান্ডিতে।
সূত্র- জিও সুপার
Publisher & Editor