শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬

অন্তর্জালে জায়েদ খানের ‘শিকারি’, নারী দর্শক বলছে ‘সো সুইট’

প্রকাশিত: ০৭:৫৩, ২১ আগস্ট ২০২৬ |

টিজারের পর অন্তর্জালে উন্মুক্ত হয়েছে জায়েদ খানের মিউজিক ভিডিও ‘শিকারি’। সম্পূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে চিত্রায়িত এই মিউজিক ভিডিও নিয়ে টিজার প্রকাশের পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে আগ্রহ ছিল।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় ভিডিওটি প্রকাশের পর শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
মিউজিক ভিডিওর শুরুতেই স্পোর্টস বাইকে চড়ে নতুন এক লুকে হাজির হয়েছেন জায়েদ খান। তাঁর সঙ্গে দেখা গেছে দেশি-বিদেশি ছয় নারী মডেলকে।

ভিডিওটিতে কখনো সমুদ্রসৈকতে জাহাজে, আবার কখনো সমুদ্রতীর ঘেঁষা রাস্তায় বিভিন্ন দৃশ্যে হাজির হয়েছেন এই অভিনেতা।

নাচ ও অভিনয়ের পাশাপাশি দৃশ্যায়নেও রাখা হয়েছে বৈচিত্র্য।
নিজের ফেসবুকে পোস্ট করা গানের ভিডিওটিতে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রিয়েক্ট পড়েছে সাড়ে ১৩ হাজারেরও বেশিএবং মন্তব্য জমা পড়েছে ১৪শ-এরও বেশি। মজার মজার মন্তব্যের পাশাপাশি জায়েদ খানকে শুভকামনা জানিয়েছেন অনেকেই। কেউ কেউ তার প্রশংসাও করেছেন।

একজন মন্তব্য করেছেন, ‘জায়েদ খান রকস’, আরেকজন লিখেন, ‘জাস্ট ওয়াও’। অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়াও মন্তব্য করেছেন সেই পোস্টে। লিখেছেন, ‘অভিনন্দন’।

চিত্রনায়ক কায়েস আরজু লিখেন, ‘জাস্ট ওয়াও’। চিত্রনায়িকা আঁচল লিখেন, ‘ওয়াও নতুন লুক, নতুন কনসেপ্ট।

নতুন এক জায়েদ খান’। ফারহানা সুমি নামে একজন লিখেছেন, ‘সো সুইট’। কেউ কেউ আবার ডিগবাজি কোথায়, সেটিও জানতে চেয়েছেন। 
জায়েদ খান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে মিউজিক ভিডিওটির চিত্রায়ন করা হয়েছে। শিকারি শুধু একটি মিউজিক ভিডিওই নয়, এতে ফিল্মি আবেদন রয়েছে এবং এটি অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানের একটি নির্মাণ হয়েছে।

এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘গানটি রিলিজের পর ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। আশা করছি, শিকারি গানটির মাধ্যমে আপনাদের দিলে দিলে প্রেম পিরিতি জমে গেছে। আমি নায়ক হবার পর সেরকম মিউজিক ভিডিওতে কাজ করিনি। তাই নিউ ইয়র্কের সুন্দর লোকেশন ব্যবহার করে বাংলা গানকে বিশ্বের বাঙালি মানুষের কাছে পৌঁছে দেবার চেষ্টা করেছি। ’ 

বাংলাদেশি নির্মাতা বদরুদ্দৌজা সাগরের পরিচালনায় নির্মিত ভিডিওটিতে জায়েদ খানের সঙ্গে মডেল হয়েছেন ইয়াসমিন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নিনা, মারিয়ানা, জুলিয়া, কারলা, কামিলা ও মিলানাও এতে অংশ নিয়েছেন।

গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সজীব ও রিমি। বড় বাজেটের এই মিউজিক ভিডিওটির নির্মাণকাজে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক টেকনিশিয়ানও কাজ করেছেন। স্টেডিক্যাম অপারেটর হিসেবে ছিলেন এনরিক ক্যামাচো।

Mahfuzur Rahman

Publisher & Editor