ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আগামী ১৪ আগস্ট মুক্তি পাওয়ার কথা বহুল প্রতীক্ষিত হিন্দি সিনেমা ‘আওয়ারাপান ২’। একই দিনে বাংলাদেশেও সিনেমাটি মুক্তির লক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে অনুমতির আবেদন করেছে পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট।
তবে আবেদন জমা দেওয়ার তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও মন্ত্রণালয় থেকে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।
গত ১৪ জুলাই সাফটা (SAFTA) চুক্তির আওতায় ভারতীয় হিন্দি সিনেমা ‘আওয়ারাপান ২’ ও ‘টক্সিক’ বাংলাদেশে মুক্তির অনুমতি চেয়ে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট।
মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলে নির্ধারিত তারিখ ১৪ আগস্ট দেশের প্রেক্ষাগৃহেও ‘আওয়ারাপান ২’ মুক্তিতে আর কোনো বাধা থাকবে না। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এখনো আবেদনের ফাইলটি প্রক্রিয়াধীন।
এ বিষয়ে রবিবার দুপুরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (চলচ্চিত্র-২) শারমীন আখতার কালের কন্ঠকে বলেন, ‘আবেদনের ফাইল প্রক্রিয়াধীন আছে। তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি।’
এদিকে ‘আওয়ারাপান ২’-এর অনুমোদন মিললে পর্যায়ক্রমে আরো কয়েকটি হিন্দি সিনেমা বাংলাদেশে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট। তবে সেই পরিকল্পনা এখন পুরোপুরি নির্ভর করছে সরকারি অনুমোদনের ওপর।
বাংলাদেশে হিন্দি সিনেমা মুক্তির ইতিহাস অবশ্য খুব দীর্ঘ নয়। স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় দেশীয় চলচ্চিত্রশিল্পের স্বার্থে বিদেশি সিনেমা, বিশেষ করে হিন্দি সিনেমা আমদানিতে কঠোর বিধি-নিষেধ ছিল। সেই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসে ২০১৫ সালে। সে বছর সালমান খান অভিনীত ‘ওয়ান্টেড’ বাংলাদেশে মুক্তি পায়।
এরপর আবারও কয়েক বছর বন্ধ ছিল ভারতীয় হিন্দি সিনেমার প্রদর্শন।
প্রায় আট বছর পর শাহরুখ খান অভিনীত ‘পাঠান’ বাংলাদেশে মুক্তি দিয়ে নতুন করে হিন্দি সিনেমা প্রদর্শনের পথ খুলে দেয় অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট। এরপর পর্যায়ক্রমে ‘জওয়ান’, ‘স্ত্রী ২’, ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহি’ এবং ‘কিসি কা ভাই কিসি কা জান’ দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।
তবে গত দুই বছরে বাংলাদেশে নতুন কোনো হিন্দি সিনেমা মুক্তি পায়নি। ফলে ‘আওয়ারাপান ২’ বাংলাদেশে মুক্তির অনুমতি পায় কি না, সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।
Publisher & Editor