একলা রাতে মন্দিরাতে গাইছে ভূতের ছানা
চতুর্দশীর ডুবলে শশী আহার করা মানা।
আহার বিহার জানাই আছে কিন্তু ‘শশী’র মানে?
শাঁকচুন্নি খুঁজতে গেছে ভূতের অভিধানে।
অভিধানটা বড্ড কঠিন ডিকশনারিই খাসা
লেখা থাকে, গলির কোথায় কোন ভূতদের বাসা।
কোন তিথিতে নেমন্তন্ন, উপোস বা কোন রাতে
তিতকরলার জুস খাবে কে চিংড়ি মুড়োর সাথে।
পাতায় পাতায় আরো থাকে হরেক ভূতের ছবি
মান্যিগন্যি ভূত নাকি সব ভূতের দেশের কবি।
রাত বাড়তেই ডিকশনারির মলাট খুলে দিয়ে
নাকি গলায় সুর সেধে যায় মেছো ভূতের ঝিয়ে।
নাকফুটোটা তবলা বাজায়, সেতার খেন্তিবুড়ি
কথায় কথায় সুর ছুটে যায়, ধুত্তরি ধুত্তরি।
গেছো ভূতের পুতের সাথে স্কন্ধকাটার ঝি
বলছে হেসে, সেই যে কবে পটল তুলেছি।
Publisher & Editor