নায়ক হওয়ার সুযোগ খুব একটা মেলে না গোলরক্ষকদের। উল্টো সবুজ মাঠে একাকী সময়ই কাটান তারা।
দল গোল করলেও উদযাপন করতে হয় একাকী। তবে নিজেদের দিনে কী করতে পারেন সেটার একটা উদাহরণই যেন সামনে রাখলেন হেরোনিমো রুলি।
সুযোগটাও মিলল সিটির নিয়মিত গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুমার বিশ্রামে। সুযোগ পেয়ে সতীর্থদের উদযাপনের মধ্যেমণি হলেন রুলি।
টাইব্রেকারে দারুণ দুটি সেভ দিয়ে ম্যানচেস্টার সিটিকে জয় এনে দিয়েছেন তিনি। তাতে ব্রাইটনের বিপক্ষে ৪-৩ টাইব্রেকারের জয়ে কারাবাও কাপের শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করেছে সিটি।
ইতিহাদে নির্ধারিত সময়ে শেষে ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল ইএফএল কাপের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচটি। ঘরের মাঠে দুবারই পিছিয়ে পড়েছিল সিটি।
প্রথমটা ৩০ মিনিটে। মানিক জুনিয়র ইয়ালেকৌয়ের গোলে লিড নেয় ব্রাইটন।
সিটিকে ৪০ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক শটে সমতায় ফেরান মাতেও কোভাচিচ। বিরতির পর আবারও পিছিয়ে পড়ে সিটি। ৪৭ মিনিটে করা জর্জিনিয়ো রাটারের করা গোলে জয়ের স্বপ্নও দেখছিল ব্রাইটন।
৭২ মিনিটে তাদের সেই স্বপ্ন মাটি করে দেন ভিতর রেইস। এতে ২-২ গোলে সমতায় শেষ হলে ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ায়।
টাইব্রেকারে প্রথম ৩ শটে সিটি-ব্রাইটন গোল পায়। কোভাচিচের চতুর্থ শট জ্যাসন স্টেলি ঠেকিয়ে দিলে লিড নেওয়ার সুযোগ মেলে ব্রাইটনের। সিটির প্রয়োজনের সময়ে হাত বাড়িয়ে দিলেন রুলি। ঝাঁপিয়ে পড়ে ইয়াসিন আয়েরির শট সেভ দিয়ে। বিপরীতে সিটির হয়ে পঞ্চম শটে গোল করেন রায়ান চেকরি।
ম্যাচে থাকতে হলে ব্রাইটনকে গোল করতে হতো। সেই দায়িত্ব ছিল লুইস ডাঙ্কের কাঁধে। তবে প্রতিদ্বন্দ্বীকে দায়িত্ব পালন করতে দিলেন না রুলি। আবারো বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ডাঙ্কের শট ঠেকিয়ে দিলেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক। আর শট প্রতিহত করতেই সতীর্থরা একে-একে এসে নায়ককে জড়িয়ে ধরতে থাকলেন। সেই আনন্দ সংক্রমণের মতো ছড়িয়ে পড়ল পুরো স্টেডিয়ামে।
Publisher & Editor