স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে বোর্নমাউথকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিলো চেলসি। বড় এই জয়ে অপ্রত্যাশিত নায়ক হিসেবে আবির্ভাব হলো জর্ডান হেন্ডারসনের। একটি অ্যাসিস্ট ও দুটি গোলে ৩৬ বছর বয়সী মিডফিল্ডার এদিন আলো কাড়লেন।
তিন মিনিটের মধ্যে দুটি গোলে এগিয়ে যায় চেলসি। দুটিতেই অবদান হেন্ডারসনের। লিভারপুলের সাবেক অধিনায়ক ৬৫ সেকেন্ডে কোল পালমারের অ্যাসিস্টে স্কোর ১-০ করেন। দেড় মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে ব্লুরা। মর্গান রজার্সকে দিয়ে গোল করান হেন্ডারসন। জোয়াও পেদ্রোর অফসাইড সন্দেহে ভিএআর গোলটি পর্যালোচনা করলেও স্কোর ২-০ থাকে।
তাতে করে দুই মিনিট ও ২৯ সেকেন্ডের ভেতরে একটি গোল ও অ্যাসিস্ট করেন হেন্ডারসন। অপ্টার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কেবল এমিলি হেসকি প্রিমিয়ার লিগ ইতিহাসে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গোল ও অ্যাসিস্ট করেন।
২৩ মিনিট পর হেন্ডারসন তার দ্বিতীয় গোল পেতে বসেছিলেন। কিন্তু বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার শট গোলবারের পাশ দিয়ে যায়। বিরতির পর চেলসির স্কোর ৩-০ হতে মাত্র ৩০ সেকেন্ড সময় লেগেছে। পেদ্রো নেতোর পাস থেকে গোল করেন জোয়াও পেদ্রো।
৫১তম মিনিটে এভানিলসনের গোলে বোর্নমাউথ ব্যবধান কমায়। অতিথি দলটি তাতে যেন ঘুরে দাঁড়ানোর মনোবল ফিরে পায়। কিন্তু সব সংশয় দূর করে ৬৭তম মিনিটে পেপ শ্যাভারিয়ার ক্রস থেকে স্কোর ৪-১ করেন পেদ্রো।
এরপর বিকেলটা আরও স্মরণীয় করেন হেন্ডারসন। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া ফ্রি কিকে চমৎকার এক গোল করেন। তাতে চেলসির সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে একটি প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে সরাসরি তিন গোলে অবদান রাখার কীর্তি গড়েন ৩৬ বছর ও ১১৫ দিন বয়সী এই মিডফিল্ডার।
Publisher & Editor