আক্রমণভাগে দুর্দান্ত সব নাম। কিলিয়ান এমবাপ্পে-উসমান দেম্বেলের সঙ্গে মাইকেল ওলিসে।
বেঞ্চে ব্র্যাডলি বার্কোলা-দেজিরে দুয়ের মতো উদীয়মান তারকা। যারা নিজেদের দিনে প্রতিপক্ষকে একাই গুঁড়িয়ে দিতে যথেষ্ট।
এমবাপ্পে-দেম্বেলের সামর্থ্যের ওপর ভর করেই এবার ফ্রান্স বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছিল। প্রতিপক্ষদের উড়িয়ে ‘সোনালি ট্রফিটা’ ফ্রান্সের হাতেই উঠবে এমনটা মনে করেছিলেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে অনেক ফুটবলপ্রেমীদের বিশ্বাস তো ছিলই ফরাসিদের পক্ষে।
তবে মাঠের খেলায় ব্যতিক্রম হলো। শেষ চারে থামল ফ্রান্সের বিশ্বকাপ যাত্রা। এমনকি ৪ দলের মধ্যে তৃতীয়ও হতে পারেননি এমবাপ্পের নেতৃত্বাধীন দল।
উল্টো মায়ামিতে গতকাল তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ৪-৬ গোলে হেরে বিব্রতকর কীর্তিই গড়ল তারা।
নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে কোনো সিঙ্গেল ম্যাচে এর আগে এত গোল হজম করেনি ফ্রান্স। এর আগে সর্বোচ্চ ৫ গোল হজম করেছিল তারা। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে সেই ম্যাচে ব্রাজিলের কাছে ২-৫ গোলে হেরেছিল ফ্রান্স। সেদিন হ্যাটট্রিক করে ১৭ বছরের পেলে বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছিলেন আমি কিংবদন্তি হতে আসছি।
Publisher & Editor