বিশ্বকাপ থেকে হাইতির বিদায় অনেক আগেই নিশ্চিত হয়েছে। সেদিক থেকে মরক্কোর বিপক্ষে তাই হারানোর আর কিছু ছিল না দলটির।
বিপরীতে মরক্কোর সামনে সুযোগ ছিল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার।
কিন্তু আটলান্টা স্টেডিয়ামে খেলতে নেমে ভিন্ন এক হাইতিকে দেখল মরক্কো। যেন মরণ কামড় দিতে নেমেছিল তারা। তবে শুরুতেই পিছিয়ে পড়লেও পরে দুর্দান্ত কামব্যাক করে বড় জয়ই পেয়েছে মরক্কো।
সঙ্গে ৪-২ গোলের জয়ে ‘সি’ গ্রুপের রানার্সআপ হয়ে নকআউটও নিশ্চিত করেছে কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলা দলটি।
ম্যাচের ১০ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে মরক্কো। সতীর্থর পাস থেকে দারুণ এক ব্যাকহিল ফ্লিক করেন লেনি জোসেপ। মরক্কোর ফরোয়ার্ডের ব্যাকহিলটি ইয়াসিন বুনুর শরীরে লেগে জালে জড়ায়।
শুরুতে জোসেপের নামে গোলটি দিলেও পরে আত্মঘাতী হিসেবে বুনুর নামের পাশে জুড়েছে।
সেই গোল শোধ দেয় ৩৯ মিনিটে। ব্রাহিম দিয়াসের শট লাফিয়ে হাইতির গোলরক্ষক পুরোপুরি বিপদমুক্ত করতে না পারলে গোললাইনে থাকা আশরাফ হাকিমি জালে জড়িয়ে দেন। সমতায় ফেরার আনন্দ অবশ্য বেশি সময় উপভোগ করতে পারেনি তারা।
৪৩ মিনিটে যে আবার এগিয়ে যায়।
গোলটিও ছিল দেখার মতো। বক্সের বাইরে থেকে বুলেট গতির এক শট নেন উইলসন ইসিডোর। এতটাই জোরাল ছিল যে গোলরক্ষক বুনু কিছু করার আগেই জালে জড়িয়ে যায়।
যোগ করা সময়ে অবশ্য আবার সমতায় ফেরে মরক্কো। ইসমায়েল সাইবারির গোলটিও দৃষ্টিনন্দন ছিল। বক্সের মধ্যে থেকে দারুণ এক ফিনিশিং করেন তিনি। এতে ২-২ গোলের সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতির পর অবশ্য আর রোমাঞ্চটা জিইয়ে রাখতে পারেনি হাইতি। শেষ দিকে মরক্কোর ১১ মিনিটের ঝড়ে গুঁড়িয়ে গেছে তারা। ৭৮ মিনিটে প্রথমবার মরক্কোকে লিড এনে দেন সুফিয়ান রাহিমি। আর ৮৯ মিনিটে প্রতিপক্ষের জালে শেষ পেরেক মারেন গেসিমে ইয়াসিন। তাতে প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ৪-২ গোলের হাসি হাসে মরক্কো।
বড় জয় পেলেও ‘সি’ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া হয়নি মরক্কোর। ব্রাজিলের মতো সমান ৭ পয়েন্ট পেলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় সেলেসাওরা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়। অন্যদিকে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় হয় স্কটল্যান্ড।
Publisher & Editor