বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন বিএনপির হারুন

প্রকাশিত: ০৩:১০, ১১ মার্চ ২০২৬ |

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সাবেক এমপি হারুনুর রশিদ বলেছেন, ‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম পরওয়ার যখন হেরে গিয়েছিল, তখন ঢাকার জামায়াতের আমিরও হেরে গিয়েছিল।  শনিবার (৭ মার্চ) স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এনসিপির প্রধান নাহিদ ইসলাম হেরে গিয়েছিল, সেটা আমরা পত্রিকা-গণমাধ্যমে দেখেছি। তাকেও সামান্য ভোটে বিজয়ী করা হয়েছে। অর্থাৎ এ রকম একটা আশঙ্কা ছিল, যদি জামায়াত ইসলাম এ সমস্ত সিটে হেরে যায়, তাহলে পার্লামেন্টে যাওয়া না যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে যাবে। সুতরাং সরকার এসব ক্ষেত্রে একটা মেটিকুলাস ডিজাইন করেছে- কীভাবে বিরোধী দলকে পার্লামেন্টে নেওয়া যায়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে তার পরাজয়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এই জেলাকে এখন বাইরে পরিচয় করা হচ্ছে রাজাকারদের জেলা। চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি সিটে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা বিপুল ভোট বিজয় লাভ করেছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নবাবগঞ্জ এবং শিবগঞ্জ তাদের কিছু ভোটব্যাংক আছে সত্য। কিন্তু নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাটে জামায়াত তিন নম্বরে থাকে। সেখানেও জামায়াতকে বিজয়ী করা হয়েছে। আমার জানা নেই, সরকারের কোনো মেটিকুলাস ডিজাইন ছিল কিনা সেটি সামনের দিনে অবশ্যই বের হয়ে আসবে। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে কি পরিমাণ ভোট কাস্ট হয়, কারা কারা নির্বাচিত হয়, কীভাবে নির্বাচন হয় সেগুলো অপেক্ষার বিষয়। 

তিনি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, নির্বাচনে পৌর এলাকায় জামায়াত ৬৯ হাজার ভোট পেয়েছে আর ধানের শীষ পেয়েছে ৩৬ হাজার। এই ভোট প্রাপ্তিকে তিনি আকাশচুম্বী ব্যবধান হিসেবে মন্তব্য করেন।

Mahfuzur Rahman

Publisher & Editor