ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে সংঘটিত এ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে খুব শিগগির বড় ধরনের ‘পাল্টা পদক্ষেপ’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে হামলার খবর নিশ্চিত করেছে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী দুটি ড্রোন দিয়ে এ হামলা চালানো হয়। এর ফলে দূতাবাস ভবনে ‘সামান্য অগ্নিকাণ্ড ও সাধারণ ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে। তবে কোনো প্রাণহানির খবর এ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্র এ হামলার ঘটনায় চুপ করে থাকবে না এবং খুব শিগগির বড় ধরনের পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন প্রেসিডেন্ট
হামলার পরপরই সৌদি আরবে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের মিশন রিয়াদ, জেদ্দা ও দাহরানে অবস্থানরত তাদের সব কর্মীকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলের যেকোনো সামরিক স্থাপনায় অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত সীমিত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন স্থাপনাগুলোয় এখন সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে।
ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি
ওই হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজনেশনের সাংবাদিক কেলি মেয়ারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, এ হামলার জবাবে ওয়াশিংটন কী করতে যাচ্ছে, তা ‘আপনারা খুব দ্রুতই দেখতে পাবেন’।
হামলার পরপরই সৌদি আরবে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের মিশন রিয়াদ, জেদ্দা ও দাহরানে অবস্থানরত তাদের সব কর্মীকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলের যেকোনো সামরিক স্থাপনায় অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত সীমিত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন স্থাপনাগুলোয় এখন সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে।
ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র এ হামলার ঘটনায় চুপ করে থাকবে না এবং খুব শিগগির বড় ধরনের পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে এ ঘটনা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।
Publisher & Editor