মায়ের কাছে প্রশ্ন করে ছোট্ট বিড়ালছানা
‘আম্মু তোমার আব্বু কোথায়? কোথায় আমার নানা?’
নানার সঙ্গে হয়নি দেখা, হয়নি খেলাধুলা
ডাকলে নানা দেয় না সাড়া, দুই কানে কি তুলা?
বাপটা তোমার বয়রা নাকি? মেজাজ কি তার কড়া?
হয়নি লেজে খামচি দেওয়া কিংবা ঘাড়ে চড়া।
নানার ঘাড়ে চড়ব আমি, শুনব না মা মানা
কোথায় আমার নানা?
বিড়ালছানার প্রশ্ন শুনে লক্ষ্মী মা’টা জানায়
নানা যে বাপ অনেক দূরে, চাকরি করে থানায়।
থানায় বসে ডিউটি করে ব্যস্ততা দিন-রাতে
ছিঁচকে ইঁদুর মিচকে বিড়াল পেটায় নিজের হাতে।
আমার নানা পুলিশ! হি হি! গর্বে মাথা তুলি
রাগলে নানা ফটাস করে দেয় চালিয়ে গুলি!
নানার বুঝি গোঁফ পাকানো? বেল্টে বাঁধা ভুঁড়ি
দস্যু ডাকাত অ্যারেস্ট করে দেয় পরিয়ে চুড়ি।
ইচ্ছে করে থানায় গিয়ে নানার কোলে বসি
আচ্ছা মাগো নানাভাইটা দারোগা না ওসি?
ওসি ডিসি কিচ্ছু না বাপ পাচ্ছে আমার হাসি
তিনি কেবল পরীক্ষা নেন টাটকা নাকি বাসি।
সামান্য চোর গুণ্ডা ধরে পেটটা কি তার ভরে?
নানা বসে পাহারা দেয় থানার রান্নাঘরে।
রান্নাঘরে মাছের পেটি, মুরগি, দুধের ছানা
খুব গোপনে মুখে পুরে টেস্ট করে তোর নানা।
কী বললে? নানা তবে পুলিশ না ছাই, ‘ইয়ে!’
মা বলে—ছি! ট্রল করে না মুরব্বিদের নিয়ে।
Publisher & Editor