শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬

চট্টগ্রামে তারেক রহমান

প্রকাশিত: ১০:৫৫, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ |

নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিতে চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে তাকে বহনকারী ফ্লাইট।

বিমানবন্দরে নামার পর তারেক রহমানকে স্বাগত জানান বিএনপির সিনিয়র নেতারা ও চট্টগ্রামের মহানগরীর নেতারা। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ চট্টগ্রামের শীর্ষ নেতাদের বিমানবন্দরে দেখা গেছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকাল ৫টা ৪৯ মিনিটের দিকে তিনি গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবন থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হয়। এরপর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বিমান যোগে চট্টগ্রাম পৌঁছান তিনি।

দলীয় সূত্র জানা যায়, তারেক রহমান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটযোগে চট্টগ্রামে যান। আগামীকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) সেখানে তিনি দলের নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেবেন।

রোববারের মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দুই দশকেরও বেশি সময় পর তার চট্টগ্রাম সফরকে কেন্দ্র করে নগর ও আশপাশের জেলাগুলোর নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, পলোগ্রাউন্ড মাঠে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম হবে এবং শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে কর্মসূচি সম্পন্ন হবে।

ঘোষিত সফরসূচি অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যায় আকাশপথে চট্টগ্রামে পৌঁছে রাতে সেখানে অবস্থান করবেন তারেক রহমান। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় পলোগ্রাউন্ড মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার পর বিকালে চট্টগ্রাম ছাড়বেন তিনি।

এরপর বিকাল ৪টায় ফেনীর পাইলট স্কুল মাঠে, বিকাল সাড়ে ৫টায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল মাঠে এবং সন্ধ্যা ৭টায় সুয়াগাজীর ডিগবাজির মাঠে পর্যায়ক্রমে জনসভায় অংশ নেবেন। একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দাউদকান্দির কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আরেকটি সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

ঢাকায় ফেরার পথে রাত সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর বালুর মাঠে শেষ জনসভায় অংশ নিয়ে গভীর রাতে গুলশানে নিজ বাসভবনে ফিরবেন তিনি।

সর্বশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন তারেক রহমান। তখন তিনি দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। সেই সফরের পর দীর্ঘ সময় তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই সফর তার রাজনৈতিক ভূমিকার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন দলীয় নেতারা।

Mahfuzur Rahman

Publisher & Editor