টানা হার যেন কোনোভাবেই পিছু ছাড়ছে না বিপিএলের অভিষিক্ত দল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের। প্রথম পাঁচ ম্যাচে একের পর এক পরাজয়ের পর পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা দলটি ষষ্ঠ ম্যাচেও ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে। এবার রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে তারা হেরেছে ৪ উইকেটে। তাতে আরো দীর্ঘ হয়েছে নোয়াখালীর হতাশার অধ্যায়।
১৫২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের শুরুটা ছিল ধীরস্থির কিন্তু পরিকল্পিত। দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও মোহাম্মদ ওয়াসিম শুরুতে উইকেট বাঁচিয়ে খেলেন। প্রথম ওভারে হাসান মাহমুদকে মেডেন দিলেও তৃতীয় ওভারে ওয়াসিমের ব্যাটে দৃশ্যপট বদলে যায়। এক বাই চারসহ ওই ওভারে আসে ২২ রান, যা রাজশাহীর ইনিংসে গতি এনে দেয়।
ধীরে ধীরে জমে ওঠা এই জুটি ভাঙে পঞ্চম ওভারের শেষ বলে। মেহেদি হাসান রানার বলে তানজিদ তামিম বোল্ড হলে শেষ হয় ওপেনিং জুটির ৪৭ রানের যাত্রা। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে সুবিধা করতে পারেনি অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও। ৩ বলে ১ রান করে ফেরেন রানার দ্বিতীয় শিকার হয়ে।
তবে এবারের বিপিএলে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ৬০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে জয়ের কাজটা সহজ করে দেন ওয়াসিম। ১৭১.৪২ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি সাজান সমান ৪ চার ও ছক্কায়। পরে দ্রুত আরো ২ উইকেট হারালেও রাজশাহীকে ৪ উইকেটের জয় এনে দেন শেষ দিকে দুটি ১৯ রানের ইনিংস খেলা মুশফিকুর রহিম ও রায়ান বার্ল। ৬ বল হাতে রেখে পাওয়া জয় অবশ্য মাঠ থেকে দেখতে পারেননি মুশফিক। নোয়াখালীর হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন বাঁহাতি পেসার মেহেদী হাসান রানা।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা নোয়াখালীর শুরুটা মন্দ হয়নি। দুই ওপেনার সৌম্য সরকার-শাহাদাত হোসেন দিপুর জুটিতে আসে ৫৭ রান। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৪৩ বলে ৫৯ রান করেন সৌম্য। ওপেনিং জুটিতে আরেক প্রান্তে শাহাদাত হোসেন দিপু খেলেন ৩০ রানের ইনিংস। শেষ দিকে মোহাম্মদ নবী খেলেন কার্যকর ৩৫ রানের ইনিংস। নির্ধারিত ওভার শেষে নোয়াখালীর সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১৫১ রান। রাজশাহীর বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন রিপন মন্ডল। দুটি উইকেট নেন তিনি।
Publisher & Editor