টানা দুই ম্যাচে পয়েন্ট হারানোর পর তৃতীয় ম্যাচেও হোঁচট খেল ম্যানচেস্টার সিটি। ঘরের মাঠ ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামে ব্রাইটনের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে পেপ গার্দিওলার দল।
সান্ডারল্যান্ড ও চেলসির সঙ্গে ড্রয়ের পর ব্রাইটনের ম্যাচ দিয়ে জয়ে ফেরার লক্ষ্য ছিল সিটির। প্রথমার্ধে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আর্লিং হালান্ড—ম্যানসিটির জার্সিতে যা ছিল তার ১৫০তম গোল।
তবে বিরতির পর সমতায় ফেরে ব্রাইটন। দীর্ঘদিনের চোট কাটিয়ে ফেরা কাউরো মিটোমা ৬০ মিনিটে নিচু শটে গোল করে হতাশা বাড়ান স্বাগতিকদের শিবিরে।
এই ড্রয়ের ফলে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা আর্সেনাল যদি বৃহস্পতিবার ঘরের মাঠে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন লিভারপুলকে হারাতে পারে, তবে শীর্ষে গানার্সরা সিটির থেকে ৮ পয়েন্টে এগিয়ে যাবে।
ম্যাচের শুরু থেকেই ব্রাইটন আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকে।
পাসকাল গ্রসের হেড ও ফেরদি কাদিওগ্লুর শট ঠেকিয়ে সিটিকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক দোন্নারুমা। প্রথমার্ধে সিটির আক্রমণ ছিল কিছুটা নিষ্প্রভ। তবে ডি-বক্সে জেরেমি ডকুতে ওপর ফাউলের ঘটনায় প্রথমে খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রেফারি থমাস ব্রামল। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন সিটি কোচ গার্দিওলা।
ভিএআর রিভিউয়ের পর সিদ্ধান্ত বদলে পেনাল্টি দেন ব্রামল, আর সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি হালান্ড। বিরতির ঠিক আগে তিজানি রেইনডার্সের শট গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করে ব্রাইটন।
বিরতির পর একের পর এক সুযোগ নষ্ট করে ম্যান সিটি। সেই সুযোগেরই সদ্ব্যবহার করে সমতা ফেরান মিটোমা। এরপর ম্যাচের শেষভাগে হালান্ড ও রায়ান চেরকির দারুণ দুটি সুযোগ ব্যর্থ হলে জয় হাতছাড়া হয় সিটির।
নতুন বছরের শুরুটা কঠিন হয়ে উঠেছে ম্যান সিটির জন্য। চোটের কারণে সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার যশকো গাভার্দিওল ও রুবেন দিয়াজের পাশাপাশি জন স্টোনসও মাঠের বাইরে। ফলে রক্ষণ ও আক্রমণ, দুই বিভাগেই শেষ তিন ম্যাচে দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছে।
Publisher & Editor