বুধবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬

নতুন অধ্যায়ে কল্যাণী

প্রকাশিত: ০৬:৩৯, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ |

দক্ষিণী চলচ্চিত্রে নিজের জায়গা পোক্ত করার পর এবার বলিউডে পা রাখতে চলেছেন অভিনেত্রী কল্যাণী প্রিয়দর্শন। খ্যাতিমান নির্মাতা প্রিয়দর্শনের কন্যা হলেও শুধু পরিচয়ের জোরে নয়—অভিনয় দক্ষতা আর ধারাবাহিক কাজের মাধ্যমেই তিনি দর্শকের আস্থা অর্জন করেছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রণবীর সিং অভিনীত আসন্ন ছবি ‘প্রলয়’ দিয়েই হিন্দি ছবির জগতে অভিষেক ঘটতে যাচ্ছে কল্যাণীর। রহস্যনির্ভর গল্পে নির্মিত এই সিনেমা ঘিরে ইতোমধ্যেই বলিউডে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

ছবিটি রণবীরের ক্যারিয়ারের অন্যতম ভিন্নধর্মী প্রজেক্ট হতে চলেছে বলেও ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলের আলোচনা।
গত বছর মুক্তি পাওয়া ‘লোকাহ : চ্যাপ্টার ওয়ান—চন্দ্রা’ ছবিতে কল্যাণীর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের নজর কেড়েছিল। সেই সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই বলিউডে তাঁর অভিষেকের খবর ভক্তদের উত্তেজনা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

নতুন বছরের ছুটি শেষে দেশে ফিরেই ‘প্রলয়’ ছবির শুটিং শুরু করবেন রণবীর সিং—এমনটাই জানা গেছে।

ছবিতে তার সঙ্গে আলিয়া ভাটও থাকতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে, যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। এরই মধ্যে চরিত্রের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছেন রণবীর।
অভিনয়ের পাশাপাশি শিক্ষাজীবনেও বেশ সমৃদ্ধ কল্যাণীর পথচলা। কেরালায় স্কুলজীবন শেষ করে তিনি নিউইয়র্ক সিটির পারসনস স্কুল অব ডিজাইন থেকে আর্কিটেকচারাল ডিজাইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

নিউইয়র্কে থাকাকালীন অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ থেকে একটি থিয়েটারে ইন্টার্নশিপও করেন তিনি।
পরবর্তীতে পন্ডিচেরির আদিশক্তি থিয়েটারে নাট্যশিক্ষা নেন কল্যাণী। চলচ্চিত্রজগতে তাঁর যাত্রা শুরু হয়েছিল ক্যামেরার পেছনে। ২০১৩ সালে বলিউডের সুপারহিট ছবি ‘কৃষ থ্রি’-তে সহকারী ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেন তিনি। এরপর দক্ষিণী ছবিতে সহকারী পরিচালক ও প্রযোজক হিসেবেও যুক্ত ছিলেন।

২০১৭ সালে তেলেগু সিনেমা ‘হ্যালো’ দিয়ে অভিনেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে কল্যাণীর। তবে ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া মালয়ালম ছবি ‘হৃদায়ম’ তাঁকে এনে দেয় ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা।

দক্ষিণী সিনেমায় নিয়মিত উপস্থিতির সুবাদে বাংলাদেশেও তাঁর ভক্তসংখ্যা উল্লেখযোগ্য। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামেও রয়েছে বিপুল অনুসারী। সব মিলিয়ে, বলিউডে কল্যাণীর এই নতুন যাত্রা দর্শকদের জন্য কতটা চমক নিয়ে আসে—সেদিকেই এখন তাকিয়ে সিনেপ্রেমীরা।

Mahfuzur Rahman

Publisher & Editor