বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্কালোনির নতুন চুক্তি নিয়ে সরব আর্জেন্টিনা শিবির

প্রকাশিত: ০৭:০৮, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৩

অভূতপূর্ব সাফল্যের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি কোচ লিওনেল স্কালোনি। এর মধ্যেই আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ ঝুলে আছে অনিশ্চয়তায়। সাম্প্রতিক বিশ্বকাপ ফাইনালে সেই হারের পরও বিশ্বফুটবলের শীর্ষে দলকে ফিরিয়ে আনা এই কোচের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানাতে একজোট হয়েছেন খেলোয়াড়েরা।

ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হতে যাওয়ায় স্কালোনির ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। জুলাইয়ে ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর তার সম্ভাব্য বিদায় নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। তবে আর্জেন্টাইন ফুটবল সংস্থার (এএফএ) সঙ্গে আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে। বুয়েনস আইরেসে জড়ো হয়ে ৪৮ বছর বয়সী এই কোচকে দীর্ঘমেয়াদে দেশের সঙ্গে থেকে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আলবিসেলেস্তের খেলোয়াড়েরা।

মঙ্গলবার বুয়েনস আইরেসের অনুশীলন কেন্দ্রে যোগ দিয়ে নিজেদের হেড কোচের প্রতি নিঃশর্ত সমর্থন জানান সতীর্থরা। তরুণ মিডফিল্ডার নিকো পাজ নিজের ক্যারিয়ার শুরুতে স্কালোনির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন কোচ। তিনিই আমাকে প্রথম সুযোগ দিয়েছিলেন, আশা করি তিনি থেকে যাবেন।’

অভিজ্ঞ সেন্টার-ব্যাক ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো পুরো শিবিরে কোচের ভিত্তিমূলক প্রভাবের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি তিনি থেকে যাবেন। এই জাতীয় দল গড়ে তোলার মূল কারিগর তিনিই, তাই স্বাভাবিকভাবেই আমরা চাই তিনি চালিয়ে যান।’

গোলরক্ষক হুয়ান মুসো শিবিরের মধ্যে তৈরি হওয়া সম্মিলিত শ্রদ্ধার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘তিনি যে সাফল্য অর্জন করেছেন এবং এই দলের সঙ্গে যা গড়ে তুলেছেন, তার জন্য আমরা তাকে অত্যন্ত সম্মান এবং ভালোবাসার চোখে দেখি।’

বেনফিকার উইঙ্গার জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানিও একই সুরে কথা বলেন। আর্জেন্টাইন জনগণের প্রতি কোচের ব্যাপক অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে তিনি জাতীয় দলের জন্য সবকিছু উজাড় করে দিয়েছেন এবং সব আর্জেন্টাইনকে ভীষণ আনন্দ দিয়েছেন।’

আট বছরের দায়িত্বকালে ১০৪টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন স্কালোনি। এই সময়ে ২০২২ বিশ্বকাপের পাশাপাশি ২০২১ এবং ২০২৪ সালে টানা দুটি কোপা আমেরিকা শিরোপাও জিতেছেন তিনি। এই সময়ে ৭৬টি জয়, ১৮টি ড্র এবং মাত্র ১০টি হার নিয়ে ইতিহাস গড়া ৩৬ ম্যাচের অপরাজিত এক ধারাও তৈরি করেছেন তিনি।

Mahfuzur Rahman

Publisher & Editor