ত্বক শুষ্ক হলে এক ধরনের যত্ন, তৈলাক্ত হলে আরেক ধরনের। কিন্তু যাদের ত্বক মিশ্র, তারা কী করবেন? নিশ্চয়ই তারাও ত্বকের যত্ন নেবেন। সেজন্য আপনাকে নানা দামি পণ্য কিনে ঘর ভরাতে হবে না কিংবা ছুটতে হবে না পার্লারেও। বাড়িতে থাকা কিছু উপকরণও মিশ্র ত্বকের যত্নে উপকারী হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক মিশ্র ত্বকের যত্নে কোন কাজগুলো করবেন-
নারিকেল তেল
ত্বকের শুষ্ক অংশের জন্য এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল একটি উপকারী হতে পারে। নির্ভরযোগ্য গবেষণায় দেখা গেছে যে এর ময়েশ্চারাইজিং গুণাবলী রয়েছে। এটি প্রদাহরোধীও। তবে নারিকেল তেল কমেডোজেনিক, যার অর্থ এটি লোমকূপ বন্ধ করে দেয়। ব্রণপ্রবণ স্থানে এটি ব্যবহার না করাই ভালো।
মধু
মধু আরেকটি সহায়ক উপাদান। এটি একটি হিউমেক্ট্যান্ট, তাই এটি বাতাস থেকে আর্দ্রতা টেনে ত্বককে হাইড্রেট করে। এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিসেপটিক হিসাবেও কাজ করে, যা ত্বককে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করতে পারে। ঘরে তৈরি মাস্কে মধু বেশ ভালো কাজ করে।
ওটমিল
অতিরিক্ত তেলের জন্য ওটমিল বেশ ভালো কাজ করতে পারে, কারণ এটি তেল শোষণ করে এবং জ্বালাভাব কমায়। এটি মৃত কোষ ঝরিয়ে ফেলার জন্যও চমৎকার। আধা কাপ গুঁড়া ওটসের সাথে ২ টেবিল চামচ হালকা গরম পানি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি পরিষ্কার মুখে ৩ থেকে ৫ মিনিটের জন্য লাগিয়ে রাখুন। হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন এবং আলতো করে মুছে শুকিয়ে নিন।
খরচ বাঁচান
যদিও মিশ্র ত্বকের যত্ন নেওয়া কঠিন হতে পারে, তবে এর জন্য আপনাকে প্রচুর টাকা খরচ করতে হবে না। নিয়াসিনামাইডের মতো মূল উপাদানযুক্ত পণ্য খুঁজুন, যা মিশ্র ত্বকের জন্য কার্যকর বলে পরিচিত। আরেকটি কৌশল হলো নানাভাবে ব্যবহার করা যায় এমন উপাদানযুক্ত পণ্য বেছে নেওয়া, যা একাধিক পণ্য কেনার খরচ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
পুরুষের জন্য
মিশ্র ত্বকের যত্নের রুটিন পুরুষদের জন্য মূলত মহিলাদের মতোই। তবে পুরুষদের ত্বক তুলনামূলকভাবে পুরু এবং এর গঠনও কিছুটা রুক্ষ হয়, তাই কখনও কখনও ত্বক পরিষ্কার করার সময় টোনার ব্যবহার করলে তা ময়লা আরও ভালোভাবে পরিষ্কার করতে এবং মিশ্র ত্বককে প্রশমিত করতে সাহায্য করে।
Publisher & Editor