উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আবারও আলোচনা শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের (এনআইএস) কাছ থেকে ব্রিফিং পাওয়ার পর দেশটির এক আইনপ্রণেতা এ কথা জানিয়েছেন।
তবে পিয়ংইয়ং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি কোনো যোগাযোগ হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
দক্ষিণ কোরিয়ার আইনপ্রণেতা ইউন কুন-ইয়ং সাংবাদিকদের বলেন, উত্তর কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বৈঠক যেকোনো সময় হতে পারে বলে গোয়েন্দা সংস্থাটি মনে করছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তিনি চলতি বছরের শেষ দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার বার্ষিক সামরিক মহড়া বড় পরিসরে কমিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়ার পর তিনি এ কথা বলেন।
ট্রাম্প ও কিম এর আগে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে মোট তিনবার বৈঠক করেছিলেন। এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা মনে করছে, কিম জং উনের মেয়ে জু এ-কে উত্তর কোরিয়ার পরবর্তী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।
আইনপ্রণেতা ইউন কুন-ইয়ং বলেন, উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে জু এ-কে ঘন ঘন দেখা যাচ্ছে। এর কারণ হিসেবে তাকে উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া চলার বিষয়টিকে বিবেচনা করছে এনআইএস।
অন্যদিকে ইউক্রেনে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধ করতে উত্তর কোরিয়া নতুন করে সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করছে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা। ইউন বলেন, বর্তমানে উত্তর কোরিয়া ইউক্রেনে অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা ‘খুবই কম’।
এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন, রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করতে উত্তর কোরিয়া আরো ৫০ হাজার পর্যন্ত সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। তবে কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং এই দাবি অস্বীকার করেছেন।
এদিকে এনআইএসের কাছ থেকে ব্রিফিং পাওয়া আরেক আইনপ্রণেতা ইউ ইয়ং-হা জানান, দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা উত্তর কোরিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্রের নকশা এবং দেশটির ক্ষমতাসীন দলের একটি অভ্যন্তরীণ নথি পেয়েছে।
তবে তিনি এসব বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
Publisher & Editor