জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র ২ রান, আর শামীম পাটোয়ারীর সামনে ছিল ব্যক্তিগত ফিফটি পূরণের জন্য ৫ রান। অ্যানলিজার্কের করা বাউন্সার বলটি ছেড়ে দেন শামীম। পরের বলটি স্লটে পড়তেই মিডউইকেট দিয়ে বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। একই সঙ্গে পূর্ণ করেন নিজের ফিফটি এবং নিশ্চিত করেন বাংলাদেশের টানা তৃতীয় জয়।
১৩২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অবশ্য শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশ এইচপির। পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার আগেই তিন ব্যাটারকে হারায় তারা। পরে সাজঘরে ফেরেন আগের ম্যাচে ফিফটি করা সাব্বির রহমানও। হাবিবুর রহমান সোহান কোনো রান করতে পারেননি। জিসান আলম করেন ১১, আরিফুল ইসলাম ১৫ এবং সাব্বির রহমানের ব্যাট থেকে আসে ৫ রান।
দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশের ইনিংস সামাল দেন অধিনায়ক ইরফান শুক্কুর ও শামীম পাটোয়ারী। দুজনের ব্যাটে গড়ে ওঠে ৮৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। এই জুটিই বাংলাদেশকে জয়ের পথে এগিয়ে দেয়। ৩২ বলে ৪৩ রান করে শুক্কুর আউট হলেও শামীম শেষ পর্যন্ত দলকে জয় এনে দেন।
আব্দুল গাফফার সাকলাইনকে সঙ্গে নিয়ে বাকি কাজটুকু শেষ করেন শামীম। তিনি ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন, আর সাকলাইনের সংগ্রহ ৬ রান। ফলে লক্ষ্যে পৌঁছাতে বাংলাদেশের আর কোনো উইকেট হারাতে হয়নি।
এর আগে ডারউইনে টস জিতে ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট একাডেমিকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশের অধিনায়ক ইরফান শুক্কুর। বাংলাদেশের স্পিনারদের দাপটে ১৯.১ ওভারেই মাত্র ১৩১ রানে অলআউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ান দলটি।
ভিক্টোরিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৪৯ রান করেন অধিনায়ক স্যাম হারপার। জাতীয় দলের হয়ে খেলা সাদারল্যান্ডের ব্যাট থেকে আসে ৩০ রান।
ডারউইনে টপ এন্ড টি-টোয়েন্টির একাদশ ম্যাচে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ এইচপি ও ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট একাডেমি। প্রথমে ব্যাট করে ১৩১ রানে থামে ভিক্টোরিয়ার ইনিংস। সেই লক্ষ্য বাংলাদেশ পেরিয়ে যায় ৫ উইকেটে।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন মোহাম্মদ রুবেল। তিনি শিকার করেন ৪ উইকেট। রাকিবুল হাসান পান ৩ উইকেট। এ ছাড়া আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও রিপন মণ্ডল একটি করে উইকেট নেন।
Publisher & Editor