শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

৬২ বছরের পুরোনো রেকর্ডে ভাগ বসালেন তামিম

প্রকাশিত: ০৬:৫৬, ১৪ আগস্ট ২০২৬ | ১৫

এক সেঞ্চুরিই ইতিহাসের পাতায় নাম তুলে দিয়েছে তানজিদ হাসান তামিমের। ১০১ রানের ইনিংসে দলের লিড নিশ্চিত করে দিয়েছেন। বাংলাদেশ এখন অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্টে রীতিমতো ফেভারিট বনে গেছে।

তবে এই সেঞ্চুরি তারও আগে বেশ কিছু রেকর্ড গড়ে-ছুঁয়ে দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সেঞ্চুরি করা প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার বনে গেছেন তিনি। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ছিল হান্নান সরকারের ৭৬। আজ সে রেকর্ডটাকে পেছনে ঠেলে দিয়ে তামিম তুলে নেন সেঞ্চুরি। 

শুধু তাই নয়, এশিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসেও একটি বিশেষ কীর্তির অংশ হয়ে গেলেন তামিম। অস্ট্রেলিয়ায় নিজের প্রথম টেস্ট ইনিংসেই সেঞ্চুরি করা দ্বিতীয় এশিয়ান ক্রিকেটার তিনি। এর আগে ১৯৬৪ সালে এই কীর্তি গড়েছিলেন পাকিস্তানের হানিফ মোহাম্মদ। অর্থাৎ ৬২ বছর পর এই তালিকায় নতুন নাম যোগ হলো।

তার এই কীর্তির দিনে ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে দুর্দান্ত অবস্থানে বাংলাদেশ। দিনের খেলা শেষে তাদের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩৫১ রান। অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে বাংলাদেশ এখন এগিয়ে ১৫৩ রানে। হাতে আছে এখনো ৪ উইকেট।

তামিমের ১০১ রানের ইনিংস এবং অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ৮৪ রানের চমৎকার ইনিংস বাংলাদেশকে এই অবস্থানে নিয়ে আসে। তামিম মাত্র নিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলছেন। ২৫ বছর বয়সী এই ওপেনার পুরো ইনিংসে ছিলেন সাবলীল। অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে তার ব্যাটিং ছিল পুরোপুরি নিয়ন্ত্রিত।

৬২ রানে থাকা অবস্থায় একবার জীবন পান তামিম। নাথান লায়নের বলে ফার্স্ট স্লিপে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সাধারণত নির্ভরযোগ্য স্টিভ স্মিথ সেই ক্যাচ ধরতে পারেননি। দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি সময়ে লায়নের বলে মিড অফ দিয়ে ঠেলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তামিম। সেঞ্চুরি করতে তার লাগে ১৮৮ বল। ইনিংসে ছিল ৮টি চার আর লায়নকে মারা একটি বিশাল ছক্কা।

সেঞ্চুরির পরপরই অবশ্য আউট হয়ে যান তামিম। লায়নকে মাঠের বাইরে পাঠাতে গিয়ে ডিপ মিড অফে মিচেল স্টার্কের হাতে ধরা পড়েন তিনি।

Mahfuzur Rahman

Publisher & Editor