ছবি: সংগৃহীত
ইউক্রেনের তিনটি স্থাপনায় হামলা চালানোর পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছিল ইরান। জবাব যখন দিতে যাচ্ছিল তখন ইউক্রেনের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়া হয়। এরপরই হামলার পরিকল্পনা বাতিল করে ইরান।
সোমবার (৩ আগস্ট) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন দাবি করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি-এর শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ি।
তিনি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী হামলার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল। কিন্তু পরে অভিযান স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রেজায়ি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরান নির্ধারিত নৌপথের বাইরে কোনো সামুদ্রিক করিডোর চালু হতে দেবে না। কোনো শত্রুপক্ষের যুদ্ধজাহাজ অবৈধ পথ ব্যবহার করার চেষ্টা করলে সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
তার দাবি, সাম্প্রতিক ১৭ দিনের সংঘাতে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর ওপর বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করেছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সামরিক লক্ষ্য ব্যর্থ করে দিয়েছে।
গত ২৫ জুলাই ইরান অভিযোগ করেছিল, ইউক্রেন কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে, যাতে একজন নাবিক নিহত হন।
পরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা-কে বলেন, ওই হামলায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য কিয়েভকে তেহরানকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। পরে এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় এবং জুনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি সমঝোতা স্মারক সই করে। তবে গত মাসে সেই সমঝোতা ভেঙে গেলে দুই দেশ প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে আবারও পাল্টাপাল্টি হামলা চালায়।
Publisher & Editor