রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

রেফারিং নিয়ে হতাশ হলেও আর্জেন্টিনা ফেভার পাচ্ছে বলে মনে করেন না সুইস কোচ

প্রকাশিত: ০৩:৩০, ১২ জুলাই ২০২৬ |

সেমিফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার পর আর্জেন্টিনার সমর্থকরা কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে আনন্দ উদযাপন করছেন। এমন আবহের মধ্যেই ফিফার শাটলে চেপে প্রেস কনফারেন্স রুমে আসেন সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে প্রায় রুখে দিয়ে শেষ পর্যন্ত হেরে যাওয়ায় চোখেমুখে তার বিষন্নতার ছাপ। 

আর্জেন্টিনার সঙ্গে ম্যাচে সমতা আনার পরই দশ জনের দলে পরিণত হয় সুইজারল্যান্ড। এম্বোলো লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার পরই খেলার দৃশ্যপট বদলে যায়। অতিরিক্ত সময়ে দ্বিতীয়ার্ধে দুই গোল হজম করে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় সুইসরা। 

ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদক। লাল কার্ড ও রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন করেন তিনি। জবাবে সুইস কোচ হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, ‘এটা আসলে হতাশার। ওই সিদ্ধান্তের পর আমাদের ছন্দপতন ঘটেছে। সামগ্রিকভাবে ম্যাচে প্রভাব ফেলেছে।’ 

রেফারি প্রথমে আর্জেন্টিনার ফুটবলারকে হলুদ কার্ড দেখান। পরবর্তীতে ভিএআর রেফারিকে বিষয়টি আবার দেখতে বলে। তখন রেফারি সুইস খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখায়। আগের একটি হলুদ কার্ড থাকায় তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। পুরো বিষয়টি সুইস কোচের কাছে বোধগম্য নয়, ‘রেফারি কাছ থেকে বিষয়টি দেখে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এরপর সেটা বদলে গেল এবং আমাদের খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেওয়ার মতো ঘটনা বোধহয় ছিল না।’

আর্জেন্টিনার ম্যাচে রেফারিং ও পক্ষপাত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আজকের এই সিদ্ধান্ত আলোচনায়। তাই সংবাদ সম্মেলনে ব্রাজিলিয়ান সাংবাদিকের প্রশ্ন, ‘আপনার কি মনে হয় আর্জেন্টিনা ফেভার পাচ্ছে আর রেফারি-ভিএআর নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কি এই বিশ্বকাপে?

মিশরের কোচ আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানোর জন্য ফিফার কারসাজির অভিযোগ করেছিলেন। সুইস কোচ অবশ্য এ রকম কিছু বলেননি, ‘আমার মনে হয় না তারা ফেভারড। দুই দলের ম্যাচ হয়েছে। তারা শ্রেয়তর দল হিসেবে জিতেছে। আমরাও জিততে পারতাম, রেফারির সিদ্ধান্ত আমাদের দূরে ঠেলে দিয়েছে। যা মেনে নেওয়া খানিকটা কষ্টকর বিশেষত আমার ফুটবলাররা অসাধারণ ম্যাচ খেলেছে।’

২০২২ বিশ্বকাপেও ভিএআর ছিল। তবে এবার প্রয়োগ বেশি এবং বিশেষত বিশ্বকাপের আগে ফিফা এই সংক্রান্ত কিছু পরিবর্তন এনেছে। যা অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত মনে করেন সুইস কোচ,‘বিশ্বকাপের আগে এ রকম পরিবর্তনের কোনো প্রয়োজন ছিল না। রেফারির স্বাধীনতা থাকা উচিত ছিল। ভিএআরের মাধ্যমে জটিলতা পরিহার করা যেত।’

Mahfuzur Rahman

Publisher & Editor