বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

আইপিএল খেলে টেস্ট মিস করায় আর্চারকে ধুয়ে দিলেন ডুল

প্রকাশিত: ০১:০১, ০৪ জুন ২০২৬ | ১৫

ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের ব্যস্ততা শেষ করে আবারও জমে উঠেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের লড়াই। পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ, শ্রীলঙ্কা-ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর এবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামছে নিউজিল্যান্ড। লর্ডসে শুরু হতে যাচ্ছে দুই দলের লাল বলের লড়াই। তবে আলোচনার কেন্দ্রে এখন ক্রিকেট নয়, বরং জফরা আর্চারের অনুপস্থিতি।

আইপিএলে টানা ম্যাচ খেলার পর ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণে সিরিজের প্রথম টেস্টে নেই ইংলিশ পেসার আর্চার। শুধু তাই নয়, ম্যাচ ফিটনেস বিবেচনায় তাকে দ্বিতীয় টেস্টেও পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। এরই মধ্যে জাতীয় দল থেকে ছুটি নিয়ে তিনি ভারত ছেড়ে নিজের জন্মস্থান বার্বাডোজে ফিরে গেছেন।

এই সিদ্ধান্তেই ক্ষোভে ফুঁসছেন সাবেক নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার সাইমন ডুল। তার মতে, মোটা অঙ্কের বেতন নেওয়া একজন ক্রিকেটারের টেস্ট ক্রিকেট এভাবে মিস করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বরং আইপিএলের ম্যাচের মাঝেই টেস্ট ক্রিকেটকে আলাদা গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন তিনি।

স্কাই স্পোর্টসে দেওয়া মন্তব্যে ডুল বলেন, ‘আর্চারের টেস্ট দলে না থাকা এটা একেবারেই হাস্যকর, পুরোপুরি হাস্যকর। আপনি যদি বছরে প্রায় এক মিলিয়ন পাউন্ড দিয়ে একজন খেলোয়াড়কে রাখেন, তাহলে সে কীভাবে আপনার প্রথম টেস্টের জন্য দলে থাকবে না? এটা সত্যিই হাস্যকর।’

ডুল আরও বলেন, আর্চারের উচিত ছিল আইপিএল ও জাতীয় দলের দায়িত্বের মধ্যে আরও ভালোভাবে ভারসাম্য রাখা। তার মতে, নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি, ট্রেন্ট বোল্ট ও ম্যাট হেনরির মতো ক্রিকেটাররা আইপিএলের মাঝেও লাল বলের প্রস্তুতি চালিয়ে যান এবং টেস্টের জন্য প্রস্তুত থাকেন। আর্চারকেও সেটা অনুসরণ করা উচিত ছিল।

ডুল বলেন, ‘শেষবার যখন নিউজিল্যান্ড এখানে এসেছিল, তারা আইপিএল খেলেই এসেছিল। টিম সাউদি, ট্রেন্ট বোল্ট, ম্যাট হেনরি সবাই আইপিএলের মাঝেই লাল বল দিয়ে অনুশীলন করেছিল এবং টেস্টের জন্য প্রস্তুত ছিল। আর্চারও সেটা করতে পারত। এটা না করার মানে তার টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ নিয়েই প্রশ্ন ওঠে।’

আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে দারুণ পারফর্ম করেছেন আর্চার। ১৬ ম্যাচে নিয়েছেন ২৫ উইকেট। তবে ডুলের মতে, ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ভালো করলেও মোটা বেতন নিয়ে জাতীয় দলে টেস্ট না খেলা বড় ধরনের ভুল বার্তা দেয়।

Mahfuzur Rahman

Publisher & Editor