শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

স্পিকার পদে আলোচনায় ড. মঈন খান

প্রকাশিত: ০৬:৩৬, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ |

বিদায়ি স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে এবার সভাপতিত্বে করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। তার সভাপতিত্বে নতুন স্পিকার নির্বাচন করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। তবে দলের স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এখনো কোনো দায়িত্ব পাননি। এ কারণে স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্যকে মন্ত্রিসভাসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে প্রবীণ নেতা ড. আবদুল মঈন খান এখনো সরকারের বাইরে আছেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনেও সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। প্রবীণ এ নেতাকে কোথায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তা নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল রয়েছে জনমনে। আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে ড. মঈন খানকে সংসদের স্পিকার নির্বাচিত করা হতে পারে।     

এ নেতার ঘনিষ্ঠজনরা যুগান্তরকে জানান, মন্ত্রিসভা গঠনের পর সৃষ্ট পরিস্থিতিতে তারা ধারণা করছেন, প্রবীণ এ নেতাকে সংসদের সম্মানজনক জায়গায় রাখা হবে। অবশ্য এ নেতার শুভাকাঙ্ক্ষীরা জানান, তাদের কাছে এ বিষয়ে কোনো তথ্য নেই। তারা কিছুই জানেন না বলেও উল্লেখ করেন কর্মী-সমর্থকদের কাছে।  

স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান নরসিংদী-২ আসন থেকে মোট চারবার সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। তার বাবার সাবেক এমপি ও মন্ত্রী ছিলেন। অনেকের মতে, প্রবীণ নেতা ড. মঈন খানকে স্পিকার পদে নির্বাচিত করা হলে তিনি ভালো করবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হিসেবে তিনি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। 

শপথ গ্রহণের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ অধিবেশন ডাকার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রথম অধিবেশনেই সংসদ সদস্যদের ভোটে স্পিকার নির্বাচিত হবেন। সংবিধান অনুযায়ী বিদায়ি স্পিকারের সভাপতিত্বে নতুন স্পিকার নির্বাচনের বিধান থাকলেও এবার তা হচ্ছে না।  

Mahfuzur Rahman

Publisher & Editor