কমিটির মেয়াদ হলো ৩ বছর, জ্যামাইকার ভবন হচ্ছে না
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির বিশেষ সাধারণ সভা গত ১৫ ফেব্রুয়ারি উডসাইডের কুইন্স প্যালেসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাধারণ সভায় কার্যকরি কমিটির মেয়াদ ২ বছরের পরিবর্তে ৩ বছর। কার্যকরি পরিষদের ১৯ পদের স্থলে করা হয়েছে ২১ পদ। তিন বছরের জন্য চাঁদা ধার্য করা হয়েছে ৩০ ডলার।
বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর পরিচালনায় বিশেষ সাধারণ সভায় মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ, সংবিধান সংশোধনী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন খান, বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান কামরুল, সংবিধান সংশোধনী কমিটির সদস্য তাজুল ইসলাম, সিরাজ উদ্দিন আহমেদ সোহাগ, এসএমএ রহমান সেলিম ও রিজু মোহাম্মদ।
সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম তার স্বাগত বক্তব্যে বিশেষ সাধারণ সভায় উপস্থিত হওয়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, প্রবাসে মাদার সংগঠন হিসাবে পরিচিত বাংলাদেশ সোসাইটির এ সাধারণ সভা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সভায় আমাদের গঠনতন্ত্র সংশোধন কমিটি তাদের সংশোধনী উপস্থাপন করবেন। সংগঠনের স্বার্থেই আমরা সংশোধনীগুলো এনেছি। আজকের সভায় যা পাশ হবে তা আগামী কমিটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। আমাদের কমিটি ২ বছরের জন্যই থাকবে।
ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ বলেন, আমি আপনাদের বলেছিলাম আমরা সোসাইটির জন্য ভবন ক্রয় করতে যাচ্ছি। যে ভবনের জন্য আমরা চুক্তি করতে যাচ্ছিলাম। কিন্তু আমাদের আইনজীবীর মাধ্যমে দেখতে পাই সেই ভবনে ভায়োলেশন রয়েছে, যা আমাদের জন্য সুখকর নয়। আমরা ওই ভবন ক্রয় প্রক্রিয়ায় না গিয়ে আমাদের অর্থ ফেরত এনেছি। এখন আমরা অন্য ভবন দেখছি।
সভায় গঠনতন্ত্র সংশোধনী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন খান বক্তব্য রাখার পূর্বেই কোরাম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তা তপন জামান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বাংলাদেশ সোসাইটির বর্তমান সদস্য অনুযায়ী ১৯১ জন সদস্য প্রয়োজন, কিন্তু উপস্থিত রয়েছে ১৪৪ সদস্য। সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম সে ক্ষেত্রে ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, এটা বিশেষ সাধারণ সভা, আগের সাধারণ সভার এক্সটেনশন। এখানে কোরামের কোনো বিষয় নেই। এ বক্তব্যের পর আর কেউ প্রতিবাদ করেননি।
গঠনতন্ত্র সংশোধনী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন খান তার বক্তব্যে বলেন, এটি বাংলাদেশ সোসাইটির ৬ষ্ঠ গঠনতন্ত্র সংশোধনী। আমরা মোট ৪৩ ক্লজে সংশোধনী করেছি। যার মধ্যে ২৪টি মত উপস্থাপন করছি। এক এক করে তিনি সংশোধনী উপস্থাপন করেন। অধিকাংশ সংশোধনীর সঙ্গে সবাই একমত থাকলেও কার্যকরি কমিটির মেয়ার তিন বছরের বিপক্ষে ছিলেন কেউ কেউ। তবে পাস হয় সব সংশোধনীই। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- কার্যকরি কমিটির মেয়াদ ২ বছরের পরিবর্তে ৩ বছর। কার্যকরি পরিষদের ১৯ পদের স্থলে করা হয়েছে ২১ পদ। নতুন পদের মধ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক ও ইয়ুথ এবং আইটি বিষয়ক সম্পাদক। তিন বছরের জন্য চাঁদা ধার্য করা হয়েছে ৩০ ডলার। আরো একটি সংশোধনী পাস হয়েছে। বাংলাদেশ সোসাইটির কর্মকান্ড নিয়ে কেউ মামলা করতে পারবেন না। তবে নির্বাচন নিয়ে মামলা করতে পারবেন।তবে এই সংশোধনী যেকেউ অধিকার হরণ উল্লেখ করে মামলা করতে পারেন। যিনি কোর্টে মামলা করবেন তাকেই খরচ বহন করতে হবে।
Publisher & Editor