মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

নির্বাচনে কারচুপির ষড়যন্ত্র চলছে: ট্রাম্প

প্রকাশিত: ২৩:২২, ৩০ অক্টোবর ২০২৪ | ৬৬

আগামী ৫ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের কোটি কোটি ভোটার তাদের পরবর্তী প্রেসিডেন্টকে বেছে নেবেন। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সমাপনী বক্তব্য দিলেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনে কারচুপির ষড়যন্ত্র চলছে। এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

ওয়াশিংটনে যখন কমলা হ্যারিস সমাপনী নির্বাচনি বক্তব্য দিচ্ছিলেন, ঠিক তখন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প পেনসিলভেনিয়ার অ্যালেন্টাউনে একটি প্রচারণা সমাবেশ করেছেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এটি এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য, যেটির ফলাফল প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ট্রাম্প তার ভাষণ শুরু ভোটারদের জিজ্ঞাসা করেন, চার বছর আগের তুলনায় আপনি কি এখন ভালো আছেন? 

এ সময় সমর্থকরা ‘না, না’ বলে চিত্কার করেন। ট্রাম্প জনগণকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান এবং তিনি দাবি করেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা নির্বাচনে কারচুপি করবে। ইতিমধ্যে তেমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। লাতিন ভোটারদের সমর্থন নিয়ে ট্রাম্প বলেন, লাতিন ভোটাররা তাকে এবার সবচেয়ে বেশি সমর্থন দিচ্ছে, যা আগে কখনো হয়নি।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, লাতিন সম্প্রদায় এবং পুয়ের্তো রিকান সম্প্রদায়কে আমার চেয়ে কেউ বেশি ভালোবাসে না।

ট্রাম্প বলেছেন, ৫ নভেম্বরের নির্বাচনে জয়ী হলে যথেষ্ট পরিমাণে আমেরিকান পণ্য না কেনার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ‘বড় মূল্য দিতে হবে’। সমাবেশে ধনকুবের ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন আমাদের গাড়ি নেয় না এবং আমাদের কৃষি পণ্যও নেয় না। অথচ তারা যুক্তরাষ্ট্রে লাখ লাখ গাড়ি বিক্রি করে। না, না, না, তাদের বড় মূল্য দিতে হবে।

ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি সব দেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক এবং চীনের আমদানি করা পণ্যের ওপর ৬০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। 

তাইওয়ানকে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, তাইওয়ানকে তাদের প্রতিরক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ প্রদান করতে হবে এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবসা নিয়ে নিয়েছে। চীনের দাবিকৃত তাইওয়ানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র আইন অনুযায়ী দেশটিকে আত্মরক্ষায় সহায়তা দিতে বাধ্য। এদিকে রবার্ট কেনেডি জুনিয়র ব্যালট থেকে তার বাদ দেওয়ার যে আবেদন করেছিলেন তা খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। —রয়টার্স ও উইও নিউজ

Mahfuzur Rahman

Publisher & Editor