সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

জাপানে স্থায়ী হতে খরচ বাড়ল ২০ গুণ, নতুন নিয়ম ১ অক্টোবর থেকে

প্রকাশিত: ০৭:২১, ১২ অক্টোবর ২০২৬ | ১৭

জাপানে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করছেন এমন বিদেশিদের জন্য নতুন নিয়ম আনছে দেশটি। আগামী ১ অক্টোবর থেকে স্থায়ী বসবাসের আবেদনের ফি ২০ গুণ বাড়ছে।

ফলে জাপানে স্থায়ী হতে আগ্রহীদের আগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ গুনতে হবে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপানের ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সি (আইএসএ) স্থায়ী বসবাসসহ বিভিন্ন আবাসনসংক্রান্ত আবেদনের ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

উল্লেখ্য, নতুন নিয়মে জাপানে স্থায়ী বসবাসের (পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি) আবেদনের ফি ১০ হাজার ইয়েন থেকে বেড়ে ২ লাখ ইয়েন হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার টাকা।

অর্থাৎ আগের তুলনায় এই ফি ২০ গুণ বাড়ছে।
এ ছাড়া বসবাসের অনুমতি পরিবর্তন বা নবায়নের ফিও বাড়ানো হচ্ছে। অনুমোদিত থাকার সময়ের মেয়াদের ওপর ভিত্তি করে এসব ফি নির্ধারণ করা হবে।

ইমিগ্রেশন কাউন্টারে আবেদন করলে তিন মাস পর্যন্ত থাকার অনুমতির জন্য ফি হবে ১০ হাজার ইয়েন।

পাঁচ বছর বা তার বেশি মেয়াদের জন্য এই ফি বেড়ে ৭৫ হাজার ইয়েন পর্যন্ত হতে পারে। অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে ফি তুলনামূলক কম রাখা হয়েছে, যা ১০ হাজার থেকে ৬৫ হাজার ইয়েনের মধ্যে হবে।
 
জাপানের ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সি জানিয়েছে, অভিবাসন ও বসবাস ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ব্যয়ের একটি উপযুক্ত অংশ বিদেশি বাসিন্দাদের কাছ থেকে নেওয়াই এই ফি বাড়ানোর অন্যতম উদ্দেশ্য।

দেশটির বিচারমন্ত্রীও জানিয়েছেন, অভিবাসন ও বিদেশিদের বসবাস ব্যবস্থাপনার ব্যয়ে বিদেশিদের ন্যায্য অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিবাসন ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করা এবং জাপানি নাগরিক ও বিদেশি বাসিন্দাদের মধ্যে সুশৃঙ্খল সহাবস্থান নিশ্চিত করাও সরকারের লক্ষ্য।

তবে মানবিক কারণে কিছু ক্ষেত্রে ফি কমানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। জাপানে সন্তান লালন-পালন করছেন এমন একক বিদেশি অভিভাবক এবং বসবাসের অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি অন্যায্য বা অমানবিক হয়ে উঠতে পারে—এমন কিছু ক্ষেত্রে ছাড়ের পরিধি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে জাপান টাইমস।

যারা ইতিমধ্যে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য অবশ্য কিছুটা সময় রয়েছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন জমা দিলে ১ অক্টোবরের পর আবেদন অনুমোদিত হলেও পুরনো ফি-ই প্রযোজ্য হবে।

Mahfuzur Rahman

Publisher & Editor