জুলাইয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের পর প্রথম সফরে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের পর ভারতকে ৪-০ গোলে হারিয়ে এই সফর শেষ করল তারা।
তিনটি প্রীতি ম্যাচে আনচেলত্তি তার দলে ব্যাপক রদবদল করেন। ২৬ জনের প্রত্যেকেই খেলতে পেরেছেন। কেবল ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও দানিলো তিন ম্যাচেই শুরুর একাদশে ছিলেন। আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছে আট খেলোয়াড়ের।
ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াডের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ খেলোয়াড় এই সফরে ছিলেন না। জাতীয় দলের পরবর্তী প্রজন্ম তৈরি করতেই এই সিদ্ধান্ত নেন আনচেলত্তি।
দুই জয় ও এক ড্রয়ে এই সফর শেষ করার পর আনচেলত্তি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই সময়টি শেষে আমাদের একটি ইতিবাচক অনুভূতি কাজ করছে, কারণ খেলোয়াড়রা ভালো পারফর্ম করেছে, যদিও কয়েকজন আরও ভালো করতে পারত। প্রতিটি খেলোয়াড়েরই নিজস্ব ধরণ রয়েছে।’
তিনি বলে গেলেন, ‘সর্বোপরি আমরা সন্তুষ্ট। ম্যাচগুলোর মান কেমন ছিল তা বড় কথা নয়, সব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া এবং নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করাই আমাদের কাছে মূল বিষয়। আমি এই খেলোয়াড়দের এখন আরও ভালোভাবে চিনতে পারছি।’
ভ্যান্ডারসন ও স্যামুয়েল লিনো তাদের প্রথম আন্তর্জাতিক গোল পেয়েছেন। ১৩৮ নম্বর ফিফা র্যাঙ্কিংধারী ভারতের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন লিনো। নভেম্বরে জাপান ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আসন্ন প্রীতি ম্যাচের উল্লেখ করে কোচ বললেন, ‘এটি খুবই চমৎকার একটি সময় ছিল। পরবর্তী দল নির্বাচনের বিষয়ে এখন আমার ধারণা অনেক বেশি স্পষ্ট।’
তিনি যোগ করেন, ‘স্বাভাবিকবাবে আমরা খুব বেশি পরিবর্তন করব না। তবে অন্য কিছু তরুণ খেলোয়াড়দের গড়ে তোলা প্রয়োজন, যারা এবার দলে ছিল না কিন্তু পরের বার থাকবে।’
Publisher & Editor