ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডেতে রান তাড়া করে বড় জয় পেয়েছিল ভারত। দ্বিতীয় ম্যাচে তো চারশর বেশি রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড গড়েছিল তারা। গতকাল টানা তৃতীয়বার টস জিতলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে রান তাড়া করার চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল স্বাগতিকরা। নিউ চন্ডিগড়ে সিরিজ শেষ হলো ভারতের হার দিয়ে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইওয়াশ করার সুযোগ হারাল ভারত। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে তারা লোকেশ রাহুলের সেঞ্চুরিতে ৭ উইকেটে ৩৫১ রান করে। তাকে পাল্টা জবাব দেন শাই হোপ। ক্যারিবিয়ান ওপেনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ২২ গজে ছিলেন এবং দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।
শনিবার নিউ চন্ডিগড়ে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১০ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটে জিতেছে। পঞ্চম ওভারে জন ক্যাম্পবেলকে হারানোর পর হোপ আমির জাঙ্গুর সঙ্গে ১০৯ রানের জুটি গড়েন। এই জুটিতে পাওয়ার প্লেতে উইন্ডিজের স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ১ উইকেটে ৭৮ রান।
৬৭ রানে রানআউট হওয়ার আগে জাঙ্গু তার তৃতীয় হাফ সেঞ্চুরি করেন। ২৪ রান করে দ্রুত আউট হন শেরফানে রাদারফোর্ড। তবে হোপ মোমেন্টাম ধরে রাখেন এবং ৫৬ রানের আরেকটি জুটিতে রানা তাড়ার পথে অবিচল ছিলেন।
কিমো পল ও ম্যাথু ফোর্ড ফিরে গেলেও হোপ ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখেন। গুডাকেশ মোটি ১৪ বলে ১৯ রানে অবদান রাখেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ জিতে যায় ৪৯তম ওভারে। ১৪৩ বলে ১৭ চার ও ৩ ছয়ে ১৬২ রানে অপরাজিত ছিলেন উইন্ডিজ অধিনায়ক। প্রথম উইকেটকিপার-অধিনায়ক হিসেবে ওয়ানডেতে দেড়শ রান করলেন হোপ।
ভারত আগে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৪ রানে দুটি উইকেট হারায়। কিন্তু রোহিত শর্মা ও রুতুরাজ গায়কোয়াড় ১৩৭ রানের জুটিতে প্রথম ধাক্কা সামলে নেন। রোহিতের চমৎকার ইনিংসের শেষ হয় ৮ রানের আক্ষেপ নিয়ে। ৮৫ বলে ৯২ রান করেন তিনি।
রোহিতের আউটের পর রাহুল চমক দেখান। নবম ওয়ানডে শতক হাঁকান তিনি। ডেথ ওভারে রানের গতি বাড়ান রাহুল। শেষ ১২ বলে ৪২ রান তুলে নিজের সেঞ্চুরিকে ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস বানান। জেইডেন সিলসের বলে আউট হওয়ার আগে গায়কোয়াড় হাফ সেঞ্চুরি করেন।
রাহুল ১২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। শেষ দিকে নামান ধীরের ২১ বলে ৩০ ও আংশুল কামবোজের ৯ বলে ১৭ রানের ক্যামিওতে ভারত সাড়ে তিনশ পার করে।
Publisher & Editor