উত্তর-পূর্ব এশিয়া চীনের জন্য সীমান্ত নিরাপদ রাখার ক্ষেত্রে একটি দুর্বল জায়গা হিসেবেই রয়ে গেছে। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। এটা কোরীয় উপদ্বীপের গণ্ডি ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।
জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার নিরাপত্তা সমন্বয় আরও জোরদার হচ্ছে, যা চীনের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে উত্তর কোরিয়ার পাকাপোক্ত পারমাণবিক অবস্থান জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াকে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে—এমনকি এটি তাদের ভবিষ্যতে নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে হাঁটতেও প্ররোচিত করতে পারে।
এসব ঝুঁকি তৈরি ও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়ার ভূমিকা নিয়ে বেইজিং প্রতিনিয়ত উদ্বিগ্ন হচ্ছে। এর পাশাপাশি অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা না বাড়িয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিজেদের কৌশল কীভাবে পুনর্নির্ধারণ করা যায়, তা নিয়ে চীন চিন্তিত। নিজস্ব পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠায় পিয়ংইয়ং দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
পুরোনো আবেগের দিন শেষ। বেইজিং এখন বিশ্বাস করে, উত্তর কোরিয়ার ওপর প্রভাব বজায় রাখার একমাত্র উপায় হলো সুনির্দিষ্ট যোগাযোগের মাধ্যম তৈরি করা এবং কঠোর সীমারেখা নির্ধারণ করে দেওয়া, যাতে যেকোনো আঞ্চলিক সংকট কার্যকরভাবে ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব হয়। কয়েক দশকের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, নিন্দা ও একঘরে করে রাখার নীতিও পিয়ংইয়ংকে পারমাণবিক মুক্ত করতে পারেনি; বরং তা উত্তর কোরিয়াকে তাদের পারমাণবিক অস্ত্র আঁকড়ে ধরে রাখতে আরও কঠোর সংকল্পবদ্ধ করেছে।
যদিও উত্তর কোরিয়া অর্থনৈতিক সহায়তার জন্য এখনো চীনের ওপর নির্ভরশীল, তবে রাশিয়ার সঙ্গে প্রসারিত নিরাপত্তা সম্পর্ক পিয়ংইয়ংকে বেইজিংয়ের ওপর এককভাবে নির্ভরশীল থাকা থেকে বের করে এনেছে। উত্তর কোরিয়াকে ঘিরে যদি কোনো সংকট দেখা দেয়, বেইজিংয়ের ভয় হচ্ছে, চীন নিজেই প্রান্তিক বা একঘরে হয়ে পড়তে পারে।
আট দশক ধরে পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ক ঐতিহাসিক বন্ধন, প্রতীকী বন্ধুত্ব এবং অনানুষ্ঠানিক সমন্বয়ের ওপর ভর করে চলেছে। কিন্তু পিয়ংইয়ংয়ের সাম্প্রতিক অপ্রত্যাশিত আচরণ সেই পুরোনো দৃষ্টিভঙ্গিকে অপ্রতুল প্রমাণ করেছে।
চীনের নতুন কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো পিয়ংইয়ংকে আবার নিজের প্রভাববলয়ে ফিরিয়ে আনা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও স্থিতিশীল ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য করে তোলা। বেইজিং চায় না যে বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের অন্যতম উত্তর কোরিয়া ধ্বংস হয়ে যাক; কারণ মিত্রদের কীভাবে সামলাতে হয়, তার একটি সফল উদাহরণ হিসেবে চীন একে দেখতে চায়।
আবার কোরীয় উপদ্বীপে দীর্ঘমেয়াদি পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্য থেকেও বেইজিং সরে আসতে চায় না। তবে পিয়ংইয়ংয়ের আচমকা সিদ্ধান্তগুলো এড়াতে নিজেদের আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে চীন বুঝতে পারছে; কারণ, তা চীনের জন্য অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে অথবা জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মোতায়েন বাড়িয়ে দিতে পারে।
বেইজিং এখন উচ্চপর্যায়ের কাঠামোগত যোগাযোগ চ্যানেল গড়ে তোলার চেষ্টা করছে, যাতে পিয়ংইয়ংয়ের সম্ভাব্য যেকোনো উসকানিমূলক পদক্ষেপের আগাম বার্তা পাওয়া যায়, সংকট বাড়ার আগেই হস্তক্ষেপের সুযোগ তৈরি হয় এবং উত্তর কোরিয়ার আচরণ পূর্বাভাস দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ে।
তারা পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণকে আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে দেখার বদলে এখন সম্ভাব্য সংঘাতের ঝুঁকি কমানোর দিকেই বেশি নজর দিচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও স্পষ্ট ব্যবধান বজায় রেখে চীন তার সবচেয়ে বড় লক্ষ্যটি পূরণ করতে চায়, নিজের সীমানা ও আশপাশের অঞ্চলকে শান্ত রাখা।
সীমানা নির্ধারণ
ভৌগোলিক সীমানা ও কমিউনিস্ট মতাদর্শ এক হলেও বিগত আট দশকে চীন ও উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক অনেক চড়াই-উতরাই পার হয়ে এসেছে। চীনের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক মূলত ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব, বিপ্লবী স্মৃতি এবং প্রবীণ নেতাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।
কোরীয় যুদ্ধের সময় দুই দেশ খুব কাছাকাছি এসেছিল, কিন্তু অন্যান্য সময়ে সম্পর্কের টানাপোড়েন তাদের দূরে ঠেলে দিয়েছে। ২০১১ সালের শেষের দিকে কিম জং–উন ক্ষমতায় আসার পর উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষা পরিচালনাসহ অন্যান্য ঘটনায় বেইজিংয়ের সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে।
২০১৭ সালে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পর বেইজিংয়ের বিরক্তি চরমে পৌঁছায়, যখন তারা হাইড্রোজেন বোমা প্রযুক্তির সফল পরীক্ষা দাবি করে। এটি কেবল পারমাণবিকীকরণের বিরুদ্ধে চীনের আনুষ্ঠানিক অবস্থানেরই বরখেলাপ ছিল না, বেইজিংয়ের জন্য রাজনৈতিকভাবেও চরম অস্বস্তিকর ছিল; কারণ, সে সময় চীন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করছিল।
সে বছর চীন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উত্তর কোরিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পক্ষে ভোট দেয়। এমনকি সংঘাতের আশঙ্কায় চীন যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের তৎকালীন চেয়ারম্যান জোসেফ ডানফোর্ডকে বেইজিংয়ে আমন্ত্রণ জানিয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করে।
তবে এর পরপরই যখন যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে, চীন দ্রুত নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে। ২০১৮ সালের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে বৈঠকের সম্ভাবনা তৈরি হলে চীন আশঙ্কা করে যে কোরীয় উপদ্বীপের মূল আলোচনা থেকে তাদের দূরে রাখা হতে পারে।
সিঙ্গাপুরে ট্রাম্পের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠকের আগে কিম সি চিন পিংয়ের সঙ্গে পরামর্শ করতে চাইলে বেইজিং দ্রুত কিমকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানায়। ২০১৮ সালেই কিম তিনবার চীন সফর করেন এবং ২০১৯ সালে সি চিন পিং সফর করলে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও সীমান্ত বাণিজ্য আবারও চাঙা হয়ে ওঠে।
কিন্তু ২০২০ সালের শুরুতে কোভিড-১৯ মহামারি দেখা দিলে উত্তর কোরিয়া সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় এবং চীনের সঙ্গে সব ধরনের ট্রেন ও বিমান যোগাযোগ স্থগিত করে। হঠাৎ এই যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতায় বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ে এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক প্রায় কেটে যায়। একই সময়ে উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার কাছাকাছি চলে যেতে শুরু করায় চীন আবারও নিজেকে একঘরে হয়ে পড়ার শঙ্কায় দেখতে পায়।
রাশিয়া থেকে পাওয়া বাড়তি সুবিধা
আজও উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতিতে চীনের ভূমিকা অপরিহার্য। উত্তর কোরিয়ার মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের ৭০ শতাংশের বেশি, খাদ্যদ্রব্যের ৬০ শতাংশ এবং ভোক্তা পণ্যের ৭৫ শতাংশ সরবরাহ করে চীন। জাতিসংঘ নিষেধাজ্ঞার নির্ধারিত সীমার মধ্যে থেকেই চীন প্রতিবছর উত্তর কোরিয়াকে প্রায় ৫ লাখ ২০ হাজার টন পেট্রোলিয়াম এবং ৫ থেকে ৮ লাখ টন খাদ্য ও সার সরবরাহ করে। উত্তর কোরিয়ার অভ্যন্তরীণ স্থায়িত্ব এবং চীনের উত্তর-পূর্ব সীমান্তের নিরাপত্তার জন্য এই সহায়তা অত্যন্ত মৌলিক।
তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাশিয়া উত্তর কোরিয়াকে দেওয়া সহায়তার পরিমাণ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০২৪ সালের জুনে দুই দেশের মধ্যে ‘কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’ চুক্তি স্বাক্ষরের পর মস্কো পিয়ংইয়ংকে নিরাপত্তা গ্যারান্টি, সামরিক প্রযুক্তি, জ্বালানি ও শ্রমিকদের বাজার সুবিধা দিচ্ছে। বিনিময়ে উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য গোলাবারুদ ও সৈন্য পাঠাচ্ছে।
রাশিয়ার সঙ্গে এই ঘনিষ্ঠতা উত্তর কোরিয়াকে একা রক্ষা করার ক্ষেত্রে চীনের কাঁধ থেকে কিছু দায় হালকা করেছে ঠিকই, কিন্তু এর ফলে পিয়ংইয়ংয়ের দর–কষাকষির ক্ষমতা অনেক বেড়ে গেছে। আগে চীন ছিল তাদের একমাত্র অর্থনৈতিক ভরসা, এখন চীন কেবল একাধিক সমর্থকের মধ্যে একটি বড় স্তম্ভ মাত্র।
উত্তর কোরিয়ার নতুন কৌশল হলো চীনকে দিয়ে অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখা, রাশিয়াকে দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আর যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাহীনতাকে অজুহাত বানিয়ে নিজেদের পারমাণবিক শক্তি জোরদার করা। তারা চীন ও রাশিয়ার মাঝখানে অবস্থান নিয়ে সেই স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার মতো উভয় পক্ষ থেকে সুবিধা আদায় করার পুরোনো নীতিতে ফিরে এসেছে।
মস্কো-পিয়ংইয়ং যৌথ সামরিক ও পারমাণবিক সহায়তার ফলে সবচেয়ে বড় যে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, তা হলো—জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সামরিক ও সামরিক গোয়েন্দা আঁতাত আরও দ্রুত সমন্বিত করার অজুহাত পেয়ে যাচ্ছে। এটি কেবল উত্তর কোরিয়ার জন্যই নয়, চীনের নিরাপত্তার জন্যও একটি বড় হুমকি তৈরি করছে, যা তাইওয়ান প্রণালির মতো স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।
তদুপরি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা এমন এক জায়গায় পৌঁছেছে যে পিয়ংইয়ংয়ের কোনো ছোট ভুলেও চীন সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাতের মধ্যে জড়িয়ে পড়তে পারে। বেইজিংয়ের প্রধান অগ্রাধিকার হলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অহেতুক সামরিক সংঘাত এড়ানো।
আলোচনার টেবিলই সমাধান
পুরোনো সম্পর্কের ওপর ভর করে অস্থিতিশীল উত্তর কোরিয়াকে আর নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়। চীন তা বেশ ভালোভাবেই বুঝতে পারছে। বেইজিং এখন প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে পিয়ংইয়ংকে সামলাতে চায়, যেখানে দ্বিপক্ষীয় সহায়তার বিনিময়ে নির্দিষ্ট শর্ত আরোপের সুযোগ থাকবে।
চীন এখন দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে জরুরি লাইন স্থাপন, নিয়মিত কূটনৈতিক ও সামরিক আলোচনা চালু এবং সীমান্তে যেকোনো ঘটনা বা ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ক্ষেত্রে আগাম তথ্য জানানোর মেকানিজম তৈরিতে জোর দিচ্ছে। তারা চায় উত্তর কোরিয়াকে বৃহত্তর ‘তুমান রিভার ইনিশিয়েটিভ’ ও ‘সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন’-এর মতো আঞ্চলিক ও বহুপক্ষীয় ফ্রেমওয়ার্কে অন্তর্ভুক্ত করতে, যাতে তাদের একটি নির্দিষ্ট নিয়মনীতির মধ্যে বেঁধে রাখা যায়।
চীন এখনো পারমাণবিক উত্তর কোরিয়াকে সমর্থন করে না। তবে বেইজিং এটাও বুঝতে পেরেছে যে রাতারাতি বা নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ধ্বংস নিশ্চিত করা বাস্তবসম্মত নয়। পারমাণবিক উত্তর কোরিয়া চীনের আদর্শ পছন্দ না হলেও, তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে নতুন কোনো সংঘাত ডেকে আনা চীনের জন্য আরও বেশি বিপজ্জনক। তাই পারমাণবিকীকরণ বন্ধ করার চেয়ে অঞ্চলে যেকোনো সংকট রোধ করা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এখন বেইজিংয়ের প্রধান অগ্রাধিকার।
চীন তার অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে শর্তসাপেক্ষ করতে চায়। পিয়ংইয়ং যদি মার্কিন জোটকে উসকানি দেওয়া থেকে বিরত থাকে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করে, তবেই চীন তাদের মানবিক সাহায্য, সীমান্ত বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সমর্থন অব্যাহত রাখবে। গত জুনে পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি ছিল এই নতুন কৌশলেরই প্রথম ধাপ।
পুরোনো আবেগের দিন শেষ। বেইজিং এখন বিশ্বাস করে, উত্তর কোরিয়ার ওপর প্রভাব বজায় রাখার একমাত্র উপায় হলো সুনির্দিষ্ট যোগাযোগের মাধ্যম তৈরি করা এবং কঠোর সীমারেখা নির্ধারণ করে দেওয়া, যাতে যেকোনো আঞ্চলিক সংকট কার্যকরভাবে ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব হয়।
Publisher & Editor