শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫

কোন বয়সের পর নারীদের স্তন ক্যান্সারের পরীক্ষা করানো জরুরি

প্রকাশিত: ০৩:২৬, ২১ আগস্ট ২০২৫ | ১৯

মধ্যবয়সী নারীদের স্তন ক্যান্সারের থেকে বড় ভয় সম্ভবত আর কিছুতে নেই। চিকিৎসকদের মতে, স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়ের চাবিটি থাকে আক্রান্তের কাছেই। স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে ‘সেল্‌ফ ডিটেকশন’-এর কোনো বিকল্প নেই এক্ষেত্রে।

সাম্প্রতিক সময়ে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে।

বয়স ৩০ পেরোলেই শরীরে কোনোরকম অস্বস্তি থাক বা না থাক, চিকিৎসকদের কাছে গিয়ে বছরে একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো জরুরি। মনে রাখতে হবে, স্তনের সব লাম্প বা টিউমারই কিন্তু ক্যান্সার নয়। বরং ১০-১৫ শতাংশ টিউমারের ক্ষেত্রে এই ভয় থাকে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা শুরু হলেই কিন্তু এই রোগের সঙ্গে লড়াই করা সম্ভব।

কিভাবে বুঝবেন

স্তনে তৈরি হওয়া মাংসের পিণ্ড সব সময় চামড়ার আড়ালেই থাকে। এ ছাড়া স্তনবৃন্তের আশপাশেও এই ধরনের দলা থাকলে তা এড়িয়ে যাবেন না। মাংসপিণ্ডগুলো যদি শক্ত লাগে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। আর কোন কোন লক্ষণ দেখলে চিকিৎসকের কাছে ছুটতে হবে, জেনে নিন।

স্তনবৃন্ত থেকে অকারণে তরলের ক্ষরণ হলে সতর্ক হতে হবে। এটি স্তন ক্যান্সারের অন্যতম উপসর্গ হতে পারে।
স্তনে কোনোরকম র‌্যাশ কিংবা চুলকানির মতো অস্বস্তি হলে ফেলে রাখবেন না। স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে এগুলোও।
কাঁধ ও ঘাড়ের ব্যথাও স্তন ক্যান্সারের অন্যতম উপসর্গ।

কোনো কারণ ছাড়াই কাঁধে ব্যথা হলে নিজের মতো ব্যথা উপশমের পথ না খুঁজে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
স্তনের আকার বদলে যাওয়াও স্তন ক্যান্সারের অন্যতম ইঙ্গিত। স্তনের আকার বিকৃত হলে কখনো ফেলে রাখবেন না।
অন্তর্বাস পরে থাকার সময় যদি ঘর্ষণ বা ছড়ে যাওয়ার মতো কোনো অনুভূতি হয় কিংবা উপুড় হয়ে শুইলে যদি ব্যথা লাগে, তবে চিকিৎসকের কাছে যেতে দেরি করবেন না। স্তনে কোনোরকম সাড় পাওয়া না গেলেও সতর্ক থাকুন।

Mahfuzur Rahman

Publisher & Editor