বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪

টেস্ট দল কমানোর পরামর্শ রবি শাস্ত্রীর, বাংলাদেশের কী হবে?

প্রকাশিত: ০৭:৫৯, ০৯ জুলাই ২০২৪ | ১৪

ক্রিকেটের অভিজাত ফরম্যাট বলা হয় টেস্ট ক্রিকেটকে। এই সংস্করণে এখন খেলার মর্যাদা আছে ১২ দলের। তবে ক্রিকেটের অন্য দুই ফরম্যাট ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টির তুলনায় টেস্ট ক্রিকেটে শক্তির পার্থক্য একটু বেশিই দৃশ্যমান। উপরের সারির চার-পাঁচটি দলকে নিচের সারির দলগুলো একেবারেই চ্যালেঞ্জ জানাতে পারছে না। 

তাই টেস্ট খেলুড়ে দলের সংখ্যা কমিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ রবি শাস্ত্রী। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক টেস্ট ক্রিকেট খেলতে পারে, এমন ছয়-সাতটি দলকেই শুধু সাদা পোশাকের ক্রিকেটে রাখার পক্ষে তিনি। ক্রিকেটের কুলীন সংস্করণে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ আনতে উত্তরণ ও অবনমন চালু করার পক্ষে মত তার।

গত রোববার (৭ জুলাই) মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব আয়োজিত বিশ্ব ক্রিকেট সংযোগের এক অনুষ্ঠানে এমন পরামর্শ দেন শাস্ত্রী।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ব্যাপক প্রসারের যুগে কীভাবে টেস্ট ক্রিকেটের আবেদন টিকিয়ে রাখা যায়, তা নিয়ে অনুষ্ঠানে নিজেদের পরামর্শ তুলে ধরেন সাবেক ক্রিকেটাররা।

এ সময় বর্তমান ধারাভাষ্যকার শাস্ত্রী বলেছেন, ‘আপনার যখন মান থাকবে না তখন রেটিং পড়ে যাবে। খুব অল্প মানুষই দেখে, একদম অর্থহীন ক্রিকেট হয় অনেক সময়। এখন আপনার ১২টি টেস্ট দল আছে। এটাকে ছয়-সাত দলে নামিয়ে আনুন।’

টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে নিজের পরামর্শ আরেকটু খোলাসা করে শাস্ত্রী যোগ করেন, ‘উত্তরণ ও অবনমনের ব্যবস্থা চালু করুন। আপনার দুইটা স্তর থাকতে পারে। কিন্তু সেরা ছয় দল টেস্টের আবেদন ধরে রাখবে।’

তবে আইসিসি যেখানে ক্রিকেটকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে, তখন টেস্ট ক্রিকেটে দল সংখ্যা কমিয়ে আনার প্রস্তাব সে ভাবনার সঙ্গে অনেকটা সাংঘর্ষিক হয়ে যায়। এই বিষয়ে শাস্ত্রী ক্রিকেটের বিস্তারের জন্য টেস্ট নয়, অন্য ফরম্যাটকে ব্যবহার করা যেতে পারে বলে মত দেন, ‘আপনি অন্য সংস্করণে খেলাটার বিস্তার করতে পারেন, যেমন টি-টোয়েন্টি।’

১২ দলের টেস্ট মর্যাদা থাকলেও আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে পারছে ৯ দল। জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান এবং আয়ারল্যান্ড কালেভদ্রে টেস্ট খেলার সুযোগ পায়। এদিকে শাস্ত্রীর এই পরামর্শ যদি ক্রিকেটের নীতি নির্ধারকরা আমলে নেয়, সেক্ষেত্রে আইসিসি টেস্ট দলের তালিকায় নয় নম্বরে থাকা বাংলাদেশের টেস্ট খেলাও শঙ্কার মধ্যে পড়ে যাবে।

Mahfuzur Rahman

Publisher & Editor