বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

নিউজার্সীর পেটারসন সিটির ২ নং ওয়ার্ডের নির্বাচন মঙ্গলবার : শাহিন খালিক পুনরায় প্রার্থী

প্রকাশিত: ০৩:১৪, ১৪ মে ২০২৪ | ৩৩

নিউজার্সীর পেটারসন সিটির ২ নং ওয়ার্ডের নির্বাচন মঙ্গলবার (১৪ মে )। এই নির্বাচন ঘিরে স্থানীয় বাংলাদেশী কমিউনিটি সহ অন্যান্য কমিউনিটি সরগমর। ইতিমধ্যেই আগাম ভোট শেষ হয়েছে। আসনটি বাংলাদেশীদের এলাকা হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবারের নির্বাচনে বাংলাদেশী-আমেরিকান শাহিন খালিক পুনরায় তৃতীয়বারের মতো কাউন্সিল সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি অপর দুই প্রার্থীর মধ্যে আরেকজন বাংলাদেশী-আমেরিকান এহিয়া খান। অপর প্রার্থীর নাম ফ্র্যাঙ্ক ফিলিপলী। ফলে নির্বাচন জমে উঠেছে। এদিকে শাহিন খালিকের সমর্থনে একাধিক সভা হয়েছে। এসব সভায় তাকে পুনরায় নির্বাচিত করার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

এদিকে এই নির্বাচনে সিটি মেয়র অ্যান্ড্রে স্যাগ শাহিন খালিক-কে সমর্থন জানিয়েছে। শাহিন খালিকও মেয়রের সমর্থন পেয়ে মেয়রের স্বপ্নের পাশাপাশি নিজের স্বপ্ন পূরণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন- ‘আই এগ্রি উইথ হিজ ভিষণ ফর দ্য সিটি’। অপরদিকে বাংলাদেশী কমিউনিটির একটি বড় অংশ ছাড়াও সাবেক মেয়র জয়ে টরিস এহিয়া খান-বে সমর্থন জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের নির্বাচনে শাহিন খালিকের সাথে অপর বাংলাদেশী-আমেরিকান প্রার্থী সাবেক কাউন্সিলম্যান মোহাম্মদ আকতারুজ্জামানের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। ঐ বছরের নির্বাচনে ২০ ভোটের ব্যবধানে আকতারুজ্জামানকে পরাজিত করলে ফলাফল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। নির্বাচনী মামলাটি ১০ মাসের ট্রায়াল শেষে শাহিন খালিকের ২২টি ভোট বাতিল হয়। পরবর্তীতে ৪ সপ্তাহ পর আদালত আকতারুজ্জামানের ৩টি ভোট বাতিল হলে শাহিন খালিককে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশী-আমেরিকান ভোটার অধ্যুষিত উল্লেখিত এলাকার নির্বাচনে ২০২২ সালের নির্বাচনে ৮৯% আর ২০১৬ সালের নির্বাচনে ৬০% ভোট পড়েছিল। ২০১২ সালের নির্বাচনে মোহাম্মদ আকতারুজ্জামান এই আসন থেকে প্রথম বাংলাদেশী-আমেরিকান হিসেবে সিটি কাউন্সিলম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবারের নির্বাচনে শাহিন খালিকের প্রতিদ্বন্দ্বিদের মধ্যে অন্যতম প্রার্থী এহিয়া খান ইতিপূর্বে মোহাম্মদ আকতারুজামানের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নির্বাচনী কর্মী ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে শাহিন খালিক একটি পরিবহণ বাস কোম্পানীর মালিক। অপরদিকে এহিয়া খান টু-ইং কোম্পানীর মালিক। পাশাপাশি তিনি পার্ট টাইম অনলাইন অটোপার্টস বিতরণ ব্যবসার সাথে জড়িত।

Mahfuzur Rahman

Publisher & Editor